Posts

Showing posts from January, 2026
Image
একাত্তরে রাজনীতিতে ইসলামী: রাজনৈতিক, রাজাকার গণনাট্য ও নৈর্ব্যক্তিক ইতিহাস। জামায়াতে ইসলামী—পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সহযোগী হিসেবে ইতিহাসের সবচেয়ে কলঙ্কিত ভূমিকা পালন করেছে। গোলাম আযম ও জামায়াতে ইসলামীর অবস্থান : একাত্তরে জামায়াতে ইসলামীর পূর্ব পাকিস্তান শাখার সভাপতি ছিলেন গোলাম আযম। মুক্তিযুদ্ধের পুরো নয় মাস তিনি প্রকাশ্যভাবে স্বাধীনতার বিরোধিতা করেন এবং মুক্তিযোদ্ধাদের ‘ভারতীয় দালাল’ আখ্যা দিয়ে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে তাদের দমনে উৎসাহ দেন। ৪ এপ্রিল, অপারেশন সার্চলাইটের মাধ্যমে ঢাকা ও সারাদেশে গণহত্যা শুরুর পর গোলাম আযম টিক্কা খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সেই বৈঠকে তিনি ও অন্যান্য পাকিস্তানপন্থী নেতারা সামরিক আইন প্রশাসনকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং তথাকথিত ‘স্বাভাবিক অবস্থা’ ফিরিয়ে আনার নামে ঢাকায় নাগরিক শান্তি কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেন। পরবর্তীতে নিজের আত্মজীবনীতে গোলাম আযম গণহত্যায় সম্পৃক্ততা অস্বীকার করলেও সেই সময়ের কোনো পত্রিকা—এমনকি জামায়াতের মুখপত্র দৈনিক সংগ্রামেও—তার এই দাবির পক্ষে কোনো প্রতিবাদ বা ব্যাখ্যা পাওয়া যায় না। বরং বৈঠকের পর তাকে পাকিস্তানি সেনাদের সহায়তায় আরও সক্...
Image
 ১৯৭১ ও মানবাধিকার: ইতিহাস কেন আজও প্রাসঙ্গিক বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ কেবল একটি ভৌগোলিক মুক্তির লড়াই ছিল না; এটি ছিল মানব মর্যাদা, গণতন্ত্র এবং মৌলিক অধিকারের সংগ্রাম। ১৯৭১ সালে কিছু ইসলামপন্থী রাজনৈতিক গোষ্ঠী এই সংগ্রামের বিরোধিতা করে পাকিস্তানি রাষ্ট্রব্যবস্থার পক্ষে অবস্থান নেয়। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ কেবল একটি ভূখণ্ড স্বাধীন করার সংগ্রাম ছিল না, বরং এটি ছিল চরম মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে বাঙালির অস্তিত্বের লড়াই। পাকিস্তানি বাহিনী কর্তৃক পরিকল্পিত গণহত্যা, বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড ও নারী নির্যাতনের ইতিহাস আজও প্রাসঙ্গিক কারণ তা ন্যায়বিচার, আইনের শাসন এবং মানবিক মূল্যবোধ রক্ষার প্রয়োজনীয়তা মনে করিয়ে দেয় [১, ৫, ৯]। এই ইতিহাস বিচারহীনতার সংস্কৃতি রোধে, সামাজিক-রাজনৈতিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে এবং সাম্প্রদায়িক অপশক্তির উত্থান রুখতে দিকনির্দেশনা দেয় ঐতিহাসিক নথি ও গবেষণায় দেখা যায়, এসব গোষ্ঠী পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সঙ্গে রাজনৈতিক ও সাংগঠনিকভাবে যুক্ত ছিল। তারা মুক্তিকামী মানুষদের শনাক্ত করা, গ্রেপ্তার এবং কিছু ক্ষেত্রে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরে সহায়তা করে। এর ফলাফল ছিল ব্যাপক মানব...
Image
আমিরাত প্রবাসীদের রেমিট্যান্সে নতুন রেকর্ড: অর্থনীতির নীরব নায়করা   সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রবাসী বাংলাদেশিরা আবারও প্রমাণ করেছেন, দেশের অর্থনীতির অন্যতম শক্ত ভিত তারাই। গত বছরে শুধু আমিরাত থেকেই বাংলাদেশে পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ দশমিক ৪ বিলিয়ন দিরহাম, যা আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা ধরে রাখতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। তারই অংশ হিসেবে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রেরণকারীদের সিআইপি (Commercially Important Person) মর্যাদা দেওয়া হচ্ছে। ২০২৫ সালে বিশ্বজুড়ে মোট ৮৬ জন প্রবাসী বাংলাদেশি সিআইপি নির্বাচিত হয়েছেন, যার মধ্যে ৪১ জনই আমিরাত প্রবাসী—এটি নিঃসন্দেহে এক গর্বের অর্জন। রেমিট্যান্স প্রবাহের এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত রাখতে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, যার অংশ হিসেবে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রেরণকারীদের সিআইপি মর্যাদা প্রদান করা হচ্ছে। ২০২৫ সালে বিশ্বজুড়ে মোট ৮৬ জন প্রবাসী বাংলাদেশি সিআইপি নির্বাচিত হয়েছেন, যার মধ্যে ৪১ জনই সংযুক্ত আরব আমিরাতের। এই অর্জনকে আরও সুসংহত করতে আবুধাবিতে বাংলাদেশ দূতাবাস নির্বাচিত সিআইপিদের নিয়ে এক মতবিনিময়...
Image
অটোরিকশার জন্য লাইসেন্স-রুট পারমিট প্রদানসহ ১২ দফা দাবি অটোরিকশার জন্য লাইসেন্স-রুট পারমিট প্রদান, লাইসেন্স প্রদান না করা অবধি রিকশা আটক বন্ধে নির্বাহী আদেশ জারি করাসহ ১২ দফা দাবি জানিয়েছে রিকশা-ভ্যান-ইজিবাইক শ্রমিক ইউনিয়ন। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবে রিকশা-ভ্যান-ইজিবাইক শ্রমিক ইউনিয়ন আয়োজিত ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: রিকশা শ্রমিকদের প্রত্যাশা ও রাজনৈতিক দল-প্রার্থীদের অঙ্গীকার’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় এ দাবি জানানো হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস, সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম নাদিম, সংগঠক ফয়সাল হায়দার, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন, বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক পার্টির সভাপতি আব্দুল আলী প্রমুখ। লিখিত বক্তব্যে ফয়সাল হায়দার বলেন, আপনারা জানেন বাংলাদেশের ৭০ লাখ মানুষ রিকশা ও ব্যাটারিচালিত যানবাহনের মাধ্যমে তাদের জীবিকা নির্বাহ করেন। কিন্তু বিভিন্ন সময়ের সরকারগুলোর উদাসীনতা ও যৌক্তিক নীতিমালা না থাকায় তাদের জীবিকা আজও নিরাপদ হয়নি। ফলে ৭০ লাখ শ্রমিক ও তাদের পরিবা...
Image
শীতকালে এই ৫টি ভুল আপনার শিশুর জন্য হতে পারে ‘বিষ’ শীতের তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথে শিশুদের রোগবালাই আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। অনেক সময় মা-বাবারা অতি সাবধানতা অবলম্বন করতে গিয়ে এমন কিছু ভুল করে বসেন, যা শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি করে। চিকিৎসকরা এই ৫টি বিষয়কে শীতকালীন ‘নীরব ঘাতক’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। ১. শিশুকে ‘গাদাগাদি’ করে কাপড় পরানো : অনেক মা-বাবা মনে করেন যত বেশি কাপড়, তত বেশি সুরক্ষা। কিন্তু অতিরিক্ত কাপড়ে শিশু ঘেমে যেতে পারে। এই ঘাম শিশুর শরীরেই শুকিয়ে গিয়ে ‘সুয়েটিং কোল্ড’ বা মারাত্মক ঠান্ডা লাগার সৃষ্টি করে, যা থেকে নিউমোনিয়া হতে পারে। পরামর্শ: সুতি কাপড়ের কয়েকটি স্তর ব্যবহার করুন, যাতে ঘামলে সহজেই বোঝা যায়। ২. বদ্ধ ঘরে কয়লা বা লাকড়ির আগুন : গ্রামাঞ্চলে তো বটেই, অনেক সময় শহরেও ঘর গরম রাখতে অনেকে কয়লা বা লাকড়ি জ্বালান। বদ্ধ ঘরে এই ধোঁয়া থেকে কার্বন-মনোক্সাইড গ্যাস তৈরি হয়, যা শিশুর শ্বাসরোধ এমনকি মৃত্যুর কারণ হতে পারে। পরামর্শ: ঘর গরম রাখতে নিরাপদ রুম হিটার ব্যবহার করুন এবং পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখুন। ৩. সরাসরি ঠান্ডা পানি স্পর্শ করা : শিশুরা খেলাচ্ছলে ...
Image
শীতকালীন রোগ প্রতিরোধে সব হাসপাতালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৭ নির্দেশনা দেশের সব হাসপাতালে শীতকালীন রোগের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় ৭ দফা নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এসব নির্দেশনার আলোকে হাসপাতালগুলোকে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই নির্দেশনা জানানো হয়। চিঠিতে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে শীতকালীন রোগের প্রাদুর্ভাব রোধ ও রোগীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য নিম্নোক্ত সাতটি পদক্ষেপ গ্রহণ করা আবশ্যক। প্রথমত, হাসপাতালের ভাঙা জানালা, দরজা বা ঠান্ডা বাতাস প্রবেশের স্থান পিডব্লিউডি/এইচইডি/নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় মেরামত বা সংস্কার করতে হবে। এর মাধ্যমে শীতকালীন তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে এবং রোগীর সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। দ্বিতীয়ত, রোগীদের জন্য প্রয়োজনীয় কম্বল ও মশারি সরবরাহ করতে হবে, যাতে শীত ও তাপমাত্রা পরিবর্তনের ফলে সংক্রমণ বৃদ্ধি না পায়। তৃতীয়ত, শীতকালীন রোগের চিকিৎসার জন্য নেবুলাইজার সলিউশন, অ্যান্টিবায়োটিক, অক্সিজেন, ওরাল স্যালাইন, আইডি ফ্লুইড এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ওষুধ পর্যাপ্...
Image
খারাপ খেললে তো টাকা ফেরত দেয় না, ক্ষতিপূরণ কেন দেব : বিসিবি পরিচালক টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশ গ্রহণ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। কেননা আইসিসি থেকে টাইগারদের ভেন্যু সম্পর্কে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়নি। আর ভারতে না যাওয়ার পক্ষে অনড় অবস্থান বোর্ডের। শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ না খেললে আর্থিকভাবে লোকসান হবে ক্রিকেটারদের। বিশ্বকাপ না খেললে বোর্ড থেকে ক্রিকেটারদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে কি না? এমন প্রশ্নের জবাবে আজ বুধবার বিসিবি পরিচালক নাজমুল বলেন, 'বিসিবির হবে না, ক্রিকেটারদের ক্ষতি হবে। ক্রিকেটারদের ক্ষতি হবে কারণ তারা খেললে ম্যাচ ফি পায়। ম্যাচ সেরা হলেও পায়, পারফরম্যান্স অনুযায়ী পায়। এটা শুধুই ক্রিকেটারের পাওয়া। বোর্ডের লাভ-ক্ষতি নেই। অন্তত এই বিশ্বকাপের জন্য।' আশানুরূপ পারফর্ম না করলে ক্রিকেটারদের বেতন কাটা হয় না, তাহলে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে কোন যুক্তিতে? সাংবাদিকদের কাছে এই পাল্টা প্রশ্ন করেছেন নাজমুল, 'কেন? ওরা গিয়ে যদি কিছুই না করতে পারে, আমরা যে ওদের পেছনে এত কোটি কোটি টাকা খরচ করছি, আমরা কি ঐ টাকা ফেরত চাচ্ছি নাকি? চাচ্ছি? এই প্রশ্নের উত্তর দেন আমাকে।' নাজমুল আরও বলেন...
Image
এলপিজি আমদানিকারকদের জন্য ঋণ সুবিধা সহজ করল বাংলাদেশ ব্যাংক দেশে চলমান গ্যাস সংকটের মধ্যে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানিকারকদের জন্য ঋণ সুবিধা সহজ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে এলপিজি আমদানির ক্ষেত্রে সরবরাহকারী বা ক্রেতার ঋণ (সাপ্লায়ার্স বা বায়ার্স ক্রেডিট) সুবিধা পাওয়া যাবে। সোমবার (১২ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে৷  কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, এলপিজি বাল্ক বা অনেক পরিমাণে কেনা হয় এবং পরে সিলিন্ডারে ভরে বাজারজাত করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় মজুত, সিলিন্ডারজাতকরণ এবং অন্যান্য কার্যক্রমে বাড়তি সময়ের প্রয়োজন হয়। তাই এলপিজিকে বাণিজ্যিক ঋণের ক্ষেত্রে শিল্প কাঁচামাল হিসেবে বিবেচনা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিদ্যমান বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় বিধিমালা অনুযায়ী, শিল্প কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২৭০ দিন পর্যন্ত সরবরাহকারী বা ক্রেতার ঋণ সুবিধা পাওয়া যায়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে, তারা যেন বিদেশি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ক্রেতার ঋণ বা বায়ার্স ক্রেডিটের ব্যবস্থা করে। এ ছাড়া অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটের মাধ্যমে বিল ডিসকাউন্টিং সু...
Image
মোবাইল ফোন আমদানিতে শুল্ক কমেছে, কমতে পারে ফোনের দাম মোবাইল ফোনের দাম ক্রেতা সাধারণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখার উদ্দেশ্যে মোবাইল ফোন আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। একইসঙ্গে দেশীয় মোবাইল উৎপাদনকারীদের জন্য উপকরণ আমদানিতে ডিউটি ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে।  মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এনবিআর থেকে এ সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির জনসংযোগ কর্মকর্তা আল আমিন শেখ বিষয়টি জানিয়েছেন।  এনবিআর জানায়, মোবাইল ফোন আমদানিতে প্রযোজ্য বিদ্যমান আমদানি শুল্ক কমার ফলে শুল্ক ৬০ শতাংশ কমেছে। অন্যদিকে কাস্টমস ডিউটি হ্রাসের কারণে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী দেশীয় প্রতিষ্ঠান যাতে বিরূপ প্রতিযোগিতার মুখে না পড়ে সে লক্ষ্যে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উপকরণ আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ ধার্য করে আরো একটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এতে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উপকরণ আমদানিতে প্রযোজ্য বিদ্যমান আমদানি শুল্ক ৫০ শতাংশ কমেছে। এনবিআর আরও জানায়, এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারির ফলে ৩০ হাজা...
Image
অর্থবছর শেষে প্রবৃদ্ধি হবে ৪.৬ শতাংশ : বিশ্বব্যাংক চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৬ শতাংশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। তবে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এই প্রবৃদ্ধি আরও বেড়ে ৬ দশমিক ১ শতাংশে দাঁড়াতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয় থেকে প্রকাশিত ‘গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টাস’ -এর জানুয়ারি সংস্করণে বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে এ তথ্য জানানো হয়। বিশ্বব্যাংক বলছে, মানুষের ভোগ ব্যয় বৃদ্ধি এবং মূল্যস্ফীতির চাপ কমে আসায় অর্থনীতির গতি ফিরবে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৬ সালের শুরুতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা কমবে। এর ফলে নতুন সরকার এসে প্রয়োজনীয় কাঠামোগত সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন করতে পারবে, যা দেশের শিল্প খাতকে শক্তিশালী করবে। এসব প্রত্যাশার ওপর ভিত্তি করেই প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়েছে সংস্থাটি। প্রতিবেদনে ইতিবাচক পূর্বাভাসের পাশাপাশি কিছু ঝুঁকির কথাও বলা হয়েছে। ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে— বর্তমানে বাংলাদেশে মূল্যস্ফীতি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি। এটি নিয়ন্ত্রণে মুদ্রানীতি কঠোর করায় ঋ...
Image
বিশ্বকাপে না খেললে ক্রিকেটারদের ক্ষতিপূরণ নিয়ে যা জানাল বিসিবি বিশ্বকাপে অংশ না নিলে ক্রিকেটারদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে কিনা এ নিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) এক পরিচালকের মন্তব্য ঘিরে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। এবার সে বিষয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল বিসিবি। বিসিবি জানিয়েছে, কোনো মন্তব্য যদি অনুপযুক্ত, আপত্তিকর বা কষ্টদায়ক বলে বিবেচিত হয়, সে জন্য বোর্ড দুঃখ প্রকাশ করছে। এমন বক্তব্য বিসিবির মূল্যবোধ, নীতি কিংবা আনুষ্ঠানিক অবস্থানকে প্রতিফলিত করে না। একই সঙ্গে এসব মন্তব্য বাংলাদেশ ক্রিকেটের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের প্রত্যাশিত আচরণবিধির সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, নির্ধারিত মুখপাত্র কিংবা মিডিয়া ও কমিউনিকেশনস বিভাগের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত বক্তব্য ছাড়া কোনো পরিচালক বা বোর্ড সদস্যের মন্তব্যের দায় বিসিবি নেয় না। অনুমোদিত চ্যানেলের বাইরে দেওয়া বক্তব্য ব্যক্তিগত মতামত হিসেবে বিবেচিত হবে। ক্রিকেটারদের প্রতি অসম্মানজনক আচরণ বা বক্তব্য এবং বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে যথাযথ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও স্পষ্ট করেছে বোর্ড। এ...
Image
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপ কতটা সম্ভব? ইরানের চলমান তীব্র বিক্ষোভে অংশ নেওয়া লোকজনের ওপর সহিংস দমন-পীড়ন চালানো হলে যুক্তরাষ্ট্র দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপ করতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত দুই সপ্তাহে বার বার এই হুমকি দিয়েছেন। বুধবার সন্ধ্যার মধ্যেই কাতারের আল-উদেইদ বিমানঘাঁটি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর কিছু সদস্যকে অন্যত্র চলে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলা এবং ইরানের পাল্টা প্রতিক্রিয়া নিয়ে আশঙ্কা ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে ইরানের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতির প্রতিবাদে বিক্ষোভের সূত্রপাত হয়। এরপর ধীরে ধীরে সেই বিক্ষোভ ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে ক্ষমতায় থাকা ইরানের ক্ষমতাসীন শাসকগোষ্ঠীর জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হিসেবে হাজির হয়েছে। মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইরানের বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে ট্রাম্প লিখেছেন, সাহায্য ‘পথে রয়েছে’। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই পোস্টে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ আসন্ন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে যদি সত্যিই ইরানে হস্তক্ষেপ করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে কী কী ব...
Image
দর্শক মাতাচ্ছে ‘এটা আমাদেরই গল্প’ দীর্ঘদিন পর পারিবারিক আবেগ ও সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে নির্মিত কোনো ধারাবাহিক নাটক নিয়ে দর্শক মহলে ব্যাপক উন্মাদনা দেখা যাচ্ছে। সেটি হলো- জনপ্রিয় নির্মাতা মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজের পরিচালিত ‘এটা আমাদেরই গল্প’। ইউটিউবে গেলেই দেখা যায়, ১০-১৫ মিলিয়নের ওপরে ভিউ প্রায় প্রতিটি পর্বেই; একেকটি পর্ব মুক্তির একদিনেই গড়ছে ভিউয়ের রেকর্ড।  এছাড়াও সামাজিক মাধ্যমেও আলোচনায় এই ধারাবাহিক। বিশেষ করে নাটকের বিভিন্ন সংলাপ ও আবেগঘন দৃশ্যগুলো প্রতিনিয়ত ভাইরাল হচ্ছে ফেসবুকে। সামির, মেহরিন, ফাহাদ বা আঞ্জুমান বেগমের মতো চরিত্রগুলো যেন দর্শকদের কাছে এখন ঘরের মানুষ হয়ে উঠেছে। নাটকটির জনপ্রিয়তা প্রসঙ্গে সংশ্লিষ্টরা জানান, পরিবারের বন্ধন, ভালোবাসা, দ্বন্দ্ব আর মমত্ববোধই এই গল্পের প্রাণ। ‘পরিবারই শুরু, পরিবারই শেষ’, এই ট্যাগলাইনকে সামনে রেখে নির্মিত গল্পটিতে দর্শকরা তাদের নিজেদের জীবনের প্রতিচ্ছবি খুঁজে পাচ্ছেন বলেই এটি এত দ্রুত জনপ্রিয় হয়েছে। তারকাখচিত এই সিরিয়ালে অভিনয় করেছেন ইরফান সাজ্জাদ, কেয়া পায়েল, খায়রুল বাসার, সুনেরাহ বিনতে কামাল, ইন্তেখাব দিনার, দীপা খন্দকার, মনির...
Image
হলুদের সাজে দ্যুতি ছড়ালেন বুবলী স্টাইলিশ লুকের জন্য চিত্রনায়িকা শবনম বুবলীকে বরাবরই পছন্দ করেন ভক্তরা। শুক্রবার রাতে সামাজিক মাধ্যমে নিজের নতুন কিছু ছবি প্রকাশ করে ফের আলোচনায় চলে এলেন নায়িকা। ঐতিহ্যবাহী ব্রাইডাল লুকে তার এই উপস্থিতি রীতিমতো নজর কেড়েছে নেটিজেনদের। ছবিগুলোতে বুবলীকে দেখা যায় একদম ভিন্ন এক আবহে। সাধারণত বিয়ে বাড়ির হলুদের আয়োজনে এমন করেই সাজেন মেয়েরা; সেই আবহেই এবার দেখা মিলল বুবলীকে। বুবলীর পরনে ছিল উজ্জ্বল হলুদ রঙের শাড়ি,  যাতে রয়েছে রঙিন সুতার নিখুঁত কারুকাজ। সঙ্গে পরেছেন বেগুনি রঙের এমব্রয়ডারি করা ব্লাউজ। সাজের পূর্ণতা দিতে তিনি বেছে নিয়েছেন হলুদ ও সাদা ফুলের গয়না; মাথায় ফুলের ‘মাং টিকা’ এবং কানে ফুলের দুল। সব মিলিয়ে এই লুকে প্রাণবন্ত দেখায় নায়িকাকে। এছাড়াও, বুবলীকে একটি সুসজ্জিত দোলনায় বসে থাকতে দেখা যায়। দোলনাটি গাঁদা ফুল এবং লাল গোলাপ দিয়ে চমৎকারভাবে সাজানো ছিল। ছবির ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘রঙ হলো প্রকৃতির হাসি’। এই ছবিগুলো প্রকাশের পর মন্তব্যঘরে ওঠে ভক্তদের প্রশংসার জোয়ার। ভক্তদের অনেকে নায়িকাকে ‘হলুদ পরী’ বলে আখ্যা দেন।   বর্তমানে বুবলী ব্যস্ত আছেন তার আ...
Image
যেভাবে সময় কাটছে তাহসানের ব্যক্তিগত জীবনে এক কঠিন সময়ে সংগীতশিল্পী তাহসান খান। মেকআপ আর্টিস্ট রোজা আহমেদের সঙ্গে নিজেদের আলাদা থাকার খবর নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিজের বর্তমান অবস্থা নিয়েও মুখ খোলেন এই শিল্পী। বর্তমানে তাহসান কোথায় আছেন বা কীভাবে সময় কাটাচ্ছেন, এমন প্রশ্নের উত্তর সংবাদ মাধ্যমে দিয়েছেন তাহসান। জানান, এখন তিনি একা একা দেশ-বিদেশে ভ্রমণ করছেন।  নিজের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তাহসান বলেন, ঘুরছি আর বই পড়েই সময় চলে যাচ্ছে। এই সময়ে বই-ই আমার সবচেয়ে বড় সঙ্গী। তাহসান এও জানিয়েছেন, তিনি শুধু মানসিকভাবেই নয়, শারীরিকভাবেও বেশ কিছুদিন ধরে অসুস্থ বোধ করছেন। তবে এর কারণ এখনই প্রকাশ্যে বলতে চান না গায়ক। আর সে কারণেই ফোনের বদলে হোয়াটসঅ্যাপে লিখে প্রশ্নের উত্তর দিতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন- এমনটাই জানান গায়ক। তাহসান সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন। তার কথায়, দোয়া করবেন যেন আমি এই কঠিন সময়টা দ্রুত পার করতে পারি।
Image
 বিশ্বখ্যাত ফুটবলারের সঙ্গে প্রেম করছেন নোরা ফাতেহি! বলিউড অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী নোরা ফাতেহির প্রেমের গুঞ্জন ছড়িয়েছে। শোনা যাচ্ছে, মরক্কোর বিশ্বখ্যাত ফুটবলার আশরাফ হাকিমির প্রেমে মজেছেন এই তারকা। মূলত, একটি ফুটবল ম্যাচে নোরার উপস্থিতি ও সোশ্যাল মিডিয়াতে এই দুই তারকার পারস্পরিক কর্মকাণ্ড নিয়ে নেটিজেনদের মাঝে তৈরি হয়েছে নানা আলোচনা।  সম্প্রতি আফ্রিকান কাপ অব নেশনস (অ্যাফকন) ২০২৫-এর একটি ম্যাচে মরক্কোকে সমর্থন দিতে গ্যালারিতে উপস্থিত ছিলেন নোরা ফাতেহি। এরপর থেকেই হাকিমির সঙ্গে তার সম্পর্কের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন পোস্টে দাবি করা হয়, স্রেফ প্রিয় দলকে নয়, বরং কথিত প্রেমিক হাকিমিকে উৎসাহ দিতেই মরক্কোয় উড়ে গিয়েছিলেন নোরা। গুঞ্জনটা আরও বাড়ে, যখন মরক্কোর জয়ের পর নোরার উল্লাসের ছবি ও ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়,; আর হাকিমিকেও নোরার পোস্টে প্রতিক্রিয়া জানাতে দেখা যায়। যদিও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত নোরা বা হাকিমি- কারও পক্ষ থেকেই কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মরক্কো বংশোদ্ভূত নোরা ফাতেহি বর্তমানে বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় তারকা। অন্যদিকে আশরাফ হাকিমি এই মুহূর্তে বিশ্বের ...
Image
 আমি চোখ ফেরাতে পারছি না : সাফা কবির বিয়ে করেছেন জনপ্রিয় উপস্থাপক ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাফসান সাবাব এবং আলোচিত সংগীতশিল্পী জেফার রহমান। এই তারকা জুটির ‘ওপেন সিক্রেট’ প্রেম এবার পরিণয়ে রূপ নিলো। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিয়ের খবরটি নিশ্চিত করেছেন রাফসান সাবাব নিজেই। একটি বিশেষ মুহূর্তের ছবি শেয়ার করে তিনি লেখেন, ‘পরিবার ও ভালোবাসার মানুষদের পাশে নিয়ে আমাদের নতুন যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছি। আপনাদের দোয়া ও আশীর্বাদ আমাদের কাম্য। আজ আমাদের দুই জীবন এক হলো, শুরু হলো একসাথে পথচলার এক সুন্দর গল্প।’ এই নবদম্পতিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন শোবিজের সহকর্মীরা। তবে ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাফা কবিরের আবেগঘন মন্তব্যটি বিশেষভাবে নজর কেড়েছে নেটিজেনদের। সাফা যেন নিজের আনন্দ ধরে রাখতে পারছিলেন না। সাফা কবির লিখেছেন, ‘দৃশ্যটি কী যে চমৎকার! আমি চোখ ফেরাতে পারছি না। আনন্দে আমার বুক ভরে উঠছে, চোখ যেন খুশির অশ্রুতে ভরে উঠেছে। এই দুই সুন্দর মানুষ যখন এক হতে যাচ্ছে, সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদ থাকুক। আল্লাহ আপনাদের জীবন সীমাহীন ভালোবাসা আর নিয়ামতে ভরিয়ে দিন।’ রাফসান সাবাব দীর্ঘ দিন ধরে দেশের শীর্ষস্থানীয় সব ইভেন্ট এবং ...
Image
 জেফার-রাফসান কেন আলোচনায়? সংগীতাঙ্গনের প্রিয় মুখ জেফার রহমান এবং জনপ্রিয় উপস্থাপক রাফসান সাবাব বিয়ে করেছেন। যে সম্পর্ককে এতদিন কেবল 'গুজব' বলে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, সেই প্রেমই এবার পেয়েছে পরিণয়। দীর্ঘদিনের লুকোচুরি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চর্চা আর ভক্তদের হাজারো প্রশ্নের অবসান হয়েছে। অবশেষে গুঞ্জনই বাস্তবে রূপ নিয়েছে। ২০২৩ সালের ৯ নভেম্বর রাফসান সাবাব হুট করেই নিজের ফেসবুক হ্যান্ডেলে স্ত্রী সানিয়া এশার সঙ্গে বিচ্ছেদের খবর জানান। তিন বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টানার ঘোষণা দিলেও সেই সময় স্ত্রী এশা পাল্টা দাবি করেছিলেন- তিনি বিচ্ছেদ চাননি। এরপর থেকেই নেটিজেনদের আঙুল ওঠে সংগীতশিল্পী জেফার রহমানের দিকে। গুঞ্জন রটে, জেফারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কারণেই ফাটল ধরেছে রাফসানের সাজানো সংসারে। বিচ্ছেদের ঘোষণা আসার পর থেকেই রাফসান ও জেফারকে প্রায়ই দেশের বাইরে একসঙ্গে দেখা গেছে।  বিশেষ করে গত বছরের মাঝামাঝিতে থাইল্যান্ডের ব্যাংককের সিয়াম প্যারাগন শপিংমলে পেরি পেরি ফুডশপের ভেতরে তাদের একান্ত সময়ের কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। যদিও সেই সময় এই জুটির কেউ-ই মুখ খোলেননি; বরং বিষয়টি নিয়ে রী...
Image
  ফারহান-পায়েলের ‘ইউ এন্ড মি ফরএভার’ প্রেম, বিচ্ছেদ আর সম্পর্কের গভীর টানাপোড়েন নিয়ে ছোট পর্দায় নতুন এক অভিজ্ঞতার নাম ‘ইউ এন্ড মি ফরএভার’। দীর্ঘ ৩ দিন রাজধানীর বিভিন্ন মনোরম লোকেশনে টানা শুটিং শেষে নাটকটি এখন মুক্তির অপেক্ষায়। এই নাটকের মাধ্যমে আবারও একসঙ্গে পর্দায় ফিরছেন বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় জুটি ফারহান এবং কেয়া পায়েল। শহুরে বাস্তবতাকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই নাটকটিতে উঠে আসবে বর্তমান সময়ের ভালোবাসার এক ভিন্ন চিত্র। যেখানে রোমান্টিক আবহের পাশাপাশি থাকবে সম্পর্কের সূক্ষ্ম কিছু আবেগীয় দ্বন্দ্ব। নির্মাতা রাইয়ান মাহমুদ জানিয়েছেন, কেবল বিনোদন নয়, বরং দর্শকদের হৃদয়ে নাড়া দেবে এমন একটি গল্প উপহার দেওয়াই ছিল তাদের মূল লক্ষ্য। নাটকটির চিত্রনাট্য লিখেছেন অবয়ব সিদ্দিকী। নির্মাতা টিমের মতে, প্রতিটি দৃশ্যই দর্শকদের মনে আলাদা জায়গা করে নেবে। এতে হাসি-ঠাট্টার পাশাপাশি সম্পর্কের এমন কিছু বাস্তব প্রশ্ন তোলা হয়েছে, যা সচরাচর এড়িয়ে যাওয়া হয়। ইতোমধ্যেই জাগো এন্টারটেইনমেন্টের ফেসবুক পেজে নাটকটির টিজার ও পোস্টার প্রকাশিত হয়েছে, যা দর্শকদের মধ্যে বেশ কৌতূহল সৃষ্টি করেছে। আগামী ১৩ তারিখ মুক্তি পেতে যাচ...
Image
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ডক্টর হায়দারকে AIM কংগ্রেস আফ্রিকা-জিসিসি কাউন্সিলের উপদেষ্টা বোর্ডে মনোনীত করা হয়েছে বাংলাদেশে জন্মগ্রহণকারী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এবং বিশ্ব শান্তি নেতা ডক্টর এম হায়দার উজ্জামানকে দুবাই, সংযুক্ত আরব আমিরাতের বার্ষিক বিনিয়োগ সভা (AIM) কংগ্রেসের জন্য আফ্রিকা-জিসিসি কাউন্সিলের উপদেষ্টা বোর্ডের সদস্য হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে। AIM কংগ্রেসে আফ্রিকা প্যাভিলিয়নের সহ-সভাপতি এবং আফ্রিকা-জিসিসি কাউন্সিলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা এম'জি ফুলা এনগেঞ্জের স্বাক্ষরিত একটি আনুষ্ঠানিক চিঠিতে এই মনোনয়ন নিশ্চিত করা হয়েছে, যার মধ্যে আফ্রিকা প্যাভিলিয়নের স্টিয়ারিং কমিটির চেয়ারম্যান এবং আফ্রিকা-জিসিসি কাউন্সিলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা মিঃ গনকালো টেরেনাসও রয়েছেন। AIM গ্লোবাল ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত AIM কংগ্রেস হল বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বৈশ্বিক বিনিয়োগ প্ল্যাটফর্ম। প্রতি বছর সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত হয়, এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে উদ্দীপিত করতে, বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করতে এবং জরুরি বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বিশ্বজুড়ে সরকারি কর্মকর্তা, বিনিয়োগকারী এবং ব্যবসায়ী নেতাদের আহ্বান করে। এই অনুষ...