আমিরাত প্রবাসীদের রেমিট্যান্সে নতুন রেকর্ড: অর্থনীতির নীরব নায়করা
সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রবাসী বাংলাদেশিরা আবারও প্রমাণ করেছেন, দেশের অর্থনীতির অন্যতম শক্ত ভিত তারাই। গত বছরে শুধু আমিরাত থেকেই বাংলাদেশে পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ দশমিক ৪ বিলিয়ন দিরহাম, যা আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।
এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা ধরে রাখতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। তারই অংশ হিসেবে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রেরণকারীদের সিআইপি (Commercially Important Person) মর্যাদা দেওয়া হচ্ছে। ২০২৫ সালে বিশ্বজুড়ে মোট ৮৬ জন প্রবাসী বাংলাদেশি সিআইপি নির্বাচিত হয়েছেন, যার মধ্যে ৪১ জনই আমিরাত প্রবাসী—এটি নিঃসন্দেহে এক গর্বের অর্জন।
রেমিট্যান্স প্রবাহের এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত রাখতে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, যার অংশ হিসেবে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রেরণকারীদের সিআইপি মর্যাদা প্রদান করা হচ্ছে। ২০২৫ সালে বিশ্বজুড়ে মোট ৮৬ জন প্রবাসী বাংলাদেশি সিআইপি নির্বাচিত হয়েছেন, যার মধ্যে ৪১ জনই সংযুক্ত আরব আমিরাতের।
এই অর্জনকে আরও সুসংহত করতে আবুধাবিতে বাংলাদেশ দূতাবাস নির্বাচিত সিআইপিদের নিয়ে এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করে। সেখানে রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের সাফল্যের গল্পের পাশাপাশি প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যার কথাও উঠে আসে।
অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ, কনসাল জেনারেল রাশেদুজ্জামান এবং দূতাবাসের ডেপুটি ইনচার্জ শাহনাজ পারভীন রানু উপস্থিত ছিলেন। তারা সিআইপিদের কমিউনিটি গঠন ও অসহায় প্রবাসীদের সহায়তায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তবে সিআইপিরা অভিযোগ করেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন সেক্টরে তারা নানা ধরনের হয়রানি ও লাঞ্ছনার শিকার হন, যা দূর না করলে দেশে বিনিয়োগ করা কঠিন হয়ে পড়বে।
এই অর্জনকে আরও শক্তিশালী করতে আবুধাবিতে বাংলাদেশ দূতাবাস আয়োজিত মতবিনিময় সভায় রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ, কনসাল জেনারেল রাশেদুজ্জামান এবং ডেপুটি ইনচার্জ শাহনাজ পারভীন রানু উপস্থিত ছিলেন। তারা প্রবাসীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কমিউনিটি গঠন ও অসহায়দের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।
তবে সভায় সিআইপিরা স্পষ্টভাবে জানান, দেশে বিনিয়োগ করতে গিয়ে বিভিন্ন সেক্টরে হয়রানি ও লাঞ্ছনার শিকার হতে হয়। এসব সমস্যার সমাধান না হলে প্রবাসীদের বিনিয়োগ আগ্রহ ব্যাহত হবে বলেও তারা সতর্ক করেন।
Comments
Post a Comment