Posts

Showing posts from November, 2025
Image
 বিডিআর হত্যাকাণ্ডে দলগতভাবে জড়িত আওয়ামী লীগ মূল সমন্বয়কারী তাপস : তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর সদর দপ্তরে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দলগতভাবে আওয়ামী লীগের সম্পৃক্ততা পেয়েছে জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন। তারা বলছে, এ ঘটনার মূল সমন্বয়কারী ছিলেন তৎকালীন সংসদ সদস্য শেখ ফজলে নূর তাপস। পুরো ঘটনাটি সংঘটিত করার ক্ষেত্রে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘গ্রিন সিগন্যাল’ ছিল। এ ছাড়া এই ঘটনায় ভারতেরও সম্পৃক্ততা পেয়েছে কমিশন। ঢাকার পিলখানায় নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা তদন্তে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে এসব বিষয় উঠে এসেছে। ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিডিআরের (বর্তমানে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ—বিজিবি) সদর দপ্তরে নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ১১ মাস ধরে তদন্ত করে প্রতিবেদন তৈরি করে এই কমিশন। তদন্ত কমিশন রোববার বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়। এ সময় সেখানে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়নবিষয়ক বিশেষ স...
Image
 ভূমিকম্প আতঙ্কে স্কুল-বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ, হল খালি ও গ্যাস কূপে খনন বন্ধ করাসহ যেসব ঘটনা ঘটছে সাপ্তাহিক ছুটির দুই দিনে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার মানুষ ভূমিকম্প আতঙ্কে দিন কাটিয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় ঠিক কী করতে হবে সেই হিসেব-নিকেশ এখন শুধু সাধারণ মানুষেরই নয় বরং সরকারের পক্ষ থেকেও নানা ঘোষণা দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছিল, রিখটার স্কেলে পাঁচ দশমিক সাত মাত্রার ভূমিকম্পে শুক্রবার ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় মানুষ কেঁপে ওঠে। তবে মার্কিন ভুতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস একে পাঁচ দশমিক পাঁচ মাত্রার ভূমিকম্প বলে জানিয়েছে। ওই ভূমিকম্পের পর বেশ কিছু ভবনে ফাটল ধরা, হেলে পড়াসহ নানা ত্রুটি-বিচ্যুতির খবর পাওয়া যায়। ভূমিকম্পের জেরে সারা দেশে ১০ জনের মৃ্ত্যু হয়। উদ্ভুত পরিস্থিতিতে ভূমিকম্পের ঝুঁকি বিবেচনায় আগামী মঙ্গলবার সকাল আটটা পর্যন্ত গ্যাস কূপ খনন ও ভূতাত্বিক জরিপ কাজ স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভূমিকম্প আতঙ্কে ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করেছে। আবার অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই ক্লাস ও পরীক্ষ...
Image
 আজ সশস্ত্র বাহিনী দিবস সশস্ত্র বাহিনী দিবস আজ। যথাযথ মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সশস্ত্র বাহিনী দিবস উদযাপিত হবে। দেশের সব সেনানিবাস, নৌ ঘাঁটি এবং বিমান বাহিনী ঘাঁটির মসজিদে ফজরের নামাজ শেষে বিশেষ মোনাজাতের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু হবে। এতে দেশের কল্যাণ ও সমৃদ্ধি, সশস্ত্র বাহিনীর ক্রমোন্নতি এবং মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী সশস্ত্র বাহিনীর শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করা হবে। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস পৃথক বাণী দিয়েছেন। এবারের সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে আইএসপিআর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টা শুক্রবার সকালে ঢাকা সেনানিবাসের শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। এরপর সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান নিজ নিজ বাহিনীর পক্ষ থেকে সেখান...
Image
 পে স্কেল হচ্ছে না, কী হওয়া দরকার ছিল হতে হতে শেষ পর্যন্ত সরকারি কর্মচারীদের পে স্কেল হলো না। সরকার তার কর্মচারীদের বেতন বাড়াবে, এটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া; কিন্তু বাংলাদেশে নতুন পে স্কেল করার সময় রীতিমতো হইচই শুরু হয়। এই হইচই যে একেবারে ভিত্তিহীন, তা–ও নয়। আমাদের অভিজ্ঞতা বলে, সরকার পে স্কেল দিলেই বাজারে জিনিসপত্রের দাম বাড়ে। এতে বেসরকারি খাত বা অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের কর্মীরা বিপদে পড়েন। এই হচ্ছে মূল অভিযোগ। ফলে সংবাদপত্র বা সংবাদমাধ্যমে এ নিয়ে হইচই হতেই থাকে। আবার এটাও সত্য, পে স্কেল অনেক দিন ধরেই দেওয়া হচ্ছে না। তা সত্ত্বেও মূল্যস্ফীতির হার বেড়েছে। এবার যখন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ জানালেন, অন্তর্বর্তী সরকার নতুন পে স্কেল দেবে না; বরং নতুন সরকার এসে তা দেবে, তখনো জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেল। মূল বিষয় হলো আমাদের কর–জিডিপির অনুপাত একেবারেই কম। গত ১৭ বছরে দেশে জিডিপির আকার বড় হয়েছে ঠিকই; কিন্তু তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে রাজস্ব আহরণ বাড়েনি। সেই সঙ্গে গত দেড় বছরে দেশে অর্থনৈতিক কার্যক্রম স্তিমিত হয়ে পড়েছে। প্রবৃদ্ধির হার অনেকটাই কমে গেছে। স্বাভাবিকভাবেই রাজস্ব আহরণ কমে গেছ...
Image
 কর্মক্ষেত্রে যে গুণটি না থাকার কারণে পিছিয়ে পড়তে পারেন একটা সময় অফিসে ফাইল ঘেঁটে আর হিসাব–নিকাশ করেই কেটে যেত সারা দিন। কিন্তু আজকের দুনিয়ায় অনেক কাজেই ব্যবহৃত হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন লার্নিং ও অটোমেশন। এখন ক্যালেন্ডার ম্যানেজ করা, প্রজেক্টের অগ্রগতি দেখা, এমনকি মিটিং মিনিটস লিখতেও নেওয়া হচ্ছে প্রযুক্তিগত সাহায্য। তাই অনেকে ভাবতে পারেন, প্রযুক্তিগত দক্ষতাই আপনার ক্যারিয়ারে সাফল্য অর্জনের জন্য যথেষ্ট, কিন্তু মোটেও তা নয়। প্রযুক্তির ব্যাপারে আপনি অভিজ্ঞ হয়েও যদি মানবিক না হোন, প্রযুক্তি ও মানুষের সঙ্গে সংযোগ ঘটাতে না পারেন, তবে তা শিখে নেওয়ার এখনই সময়। ‘টাইমস অব ইন্ডিয়া’য় এ ব্যাপারে সম্প্রতি কথা বলেছেন শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তারা। চলুন, দেখা যাক কী বলছেন তাঁরা। যেসব স্কিল আপনাকে এগিয়ে রাখবে প্রযুক্তি যত বেশি আমাদের দৈনন্দিন কাজ সহজ করছে, ততই জরুরি হয়ে উঠছে মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক তৈরি ও টিকিয়ে রাখার গুণ। কারণ, চাকরি হোক আর ব্যবসা, ক্রেতাদের সঙ্গে আবেগপূর্ণ সহযোগিতার সম্পর্ক থাকতেই হবে। অন্যের অনুভূতি বোঝা, বিরোধ মেটানো, টিমের সদস্যদের অনুপ্রা...
Image
 নিউ ইয়র্ককে টপকে বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের শহর দুবাই র‍্যাঙ্কিং অনুসারে, গ্লোবাল এলিটদের জন্য সেরা স্থান হিসেবে দুবাই নিউ ইয়র্কের শীর্ষে বিশ্বের ধনীদের জন্য, দুবাইয়ের চেয়ে বেশি সুবিধাজনক স্থান আর নেই। রিয়েল এস্টেট ব্রোকার স্যাভিলসের গবেষণা অনুসারে, যারা উচ্চ-নিট-সম্পদসম্পন্ন ব্যক্তিদের আকর্ষণের ভিত্তিতে ৩০টি বিশ্ব শহরকে স্থান দিয়েছে। আমিরাত ধনী স্থানান্তরকারীদের একটি ঝড়কে আকর্ষণ করছে, যাদের অনেকেই শহরের কর সুবিধা - শূন্য উত্তরাধিকার, মূলধন লাভ এবং সম্পদ কর - পাশাপাশি শক্তিশালী পারিবারিক অবকাঠামো এবং উচ্চ স্তরের নিরাপত্তার প্রতি আকৃষ্ট, স্যাভিলস বলেছেন। ব্লুমবার্গ নিউজের দেখা একটি প্রতিবেদনে স্যাভিলস ক্লায়েন্টদের উদ্দেশ্যে লিখেছেন, দুবাইতে, "নতুন পরিবার শহরে চলে আসার সাথে সাথে অনেক আন্তর্জাতিক স্কুল দীর্ঘ অপেক্ষা তালিকার রিপোর্ট করছে।" ব্রোকার বলেছেন, "আমাদের সূচকে এটি যে কোনও গন্তব্যের সবচেয়ে আন্তর্জাতিক স্কুলের আবাসস্থল।" ২০২২ সালে বিশ্বব্যাপী সম্পদ মন্দা থেকে পুনরুদ্ধার হচ্ছে, এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল সকল অঞ্চলের মধ্যে দ্রুততম হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে, স্যা...
Image
 'লকডাউন' রুখে দেওয়ার ঘোষণা পুলিশের, কী করবে আওয়ামী লীগ? বাংলাদেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের 'লকডাউন' কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার ব্যাপক নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ নেতারা দাবি করছেন, পরিস্থিতি যাই হোক না কেন তারা এ কর্মসূচির মাধ্যমে ঢাকাকে বিচ্ছিন্ন করে দিবেন। এর আগে গত কয়েকদিনে ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে নাশকতার জন্য আওয়ামী লীগকে দায়ী করছে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পুলিশ বলছে, এসব ঘটনার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ও আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আওয়ামী লীগ নেতারা এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বিবিসি বাংলার কাছে পাল্টা অভিযোগ করে বলছেন, "সরকার তাদের মদদপুষ্ট সাম্প্রদায়িক শক্তিকে দিয়ে এগুলো করাচ্ছে আওয়ামী লীগের ঘাড়ে দোষ চাপানোর জন্য।" দুই হাজার চব্বিশ সালের অগাস্টের আন্দোলনের সময় সংঘটিত 'মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায়' সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার রায় কবে হবে সেটি ১৩ই নভেম্বর বৃহস্পতিবার নির্ধারণ করবে ঢাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাই...
Image
 ময়মনসিংহে বাসে আগুন, দগ্ধ হয়ে চালকের মৃত্যু ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় এশিয়া পরিবহনের একটি বাসে দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে দগ্ধ হয়ে বাসচালক জুলহাস মিয়ার (৩৫) মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) রাত সোয়া ৩টার দিকে ফুলবাড়িয়া পৌরসভার ভালুকজান বাজারের পেট্রোল পাম্পের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা বাসটিতে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। ফুলবাড়িয়া থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রুকনুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহত জুলহাস মিয়া ওই এলাকার বাসিন্দা। তার বিস্তারিত পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। ফুলবাড়িয়া ফায়ার স্টেশনের অতিরিক্ত ইন্সপেক্টর ইয়াসিন ইকবাল বলেন, ‘ভোররাত সোয়া ৩টার দিকে খবর আসে ফুলবাড়িয়া পৌরসভার ভালুকজান বাজারের পেট্রোল পাম্পের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা বাসে আগুন লেগেছে। সঙ্গে সঙ্গে আমরা ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পর বাসে তল্লাশি চালিয়ে সিটে একজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছি। কীভাবে আগুন লেগেছে তা পুলিশ তদন্ত করছে।’ ওসি জানান, দুর্বৃত্তরা বাসে আগুন দেয়। পরে ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পর বাস থেকে মরদেহ উদ...
Image
 জুলাই সনদের বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর অনৈক্যে উপদেষ্টা পরিষদের উদ্বেগ জুলাই সনদ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে গণভোট কবে অনুষ্ঠিত হবে এবং এর বিষয়বস্তু কী হবে এসব প্রশ্নে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যে মতভেদ দেখা দিয়েছে সে বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে উপদেষ্টা পরিষদ। সোমবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় এ উদ্বেগ জানানো হয়েছে। পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়।  এতে বলা হয়, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রস্তাবিত জুলাই সনদ এবং এর বাস্তবায়ন সংক্রান্ত বিষয়ে উপদেষ্টা পরিষদের একটি জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়।  সভায় সংস্কারের পাশাপাশি বহু বিষয়ে ঐকমত্য স্থাপনের প্রচেষ্টা ও প্রতিষ্ঠার জন্য ঐকমত্য কমিশন ও রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি ধন্যবাদ জানানো হয়। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রস্তাবিত জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) আদেশ চূড়ান্তকরণ এবং এতে উল্লেখিত গণভোট আয়োজন ও গণভোটের বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করা হয়।  সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এতে লক্ষ্য করা যায়, ঐকমত্য কমিশনে দীর্ঘদিন আলোচনার পরও কয়েকটি সংস্কারের সুপারিশ বিষয়ে ভিন্ন মত রয়েছে। এ ছাড়া, গণভোট কব...
Image
ইতিহাস-ঐতিহ্যের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে রংপুরে আড়াই শ বছরের কাঠগোলাপ গাছ ইটাকুমারী জমিদারবাড়ি কাঠগোলাপ গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালে ফোটে এমন মৃদুগন্ধ একটি ফুল গাছ। সাধারণত ৮-১০ মিটার পর্যন্ত উঁচু হয়। তবে দেশের সর্ববৃহৎ এ কাঠগোলাপ গাছটি তার চেয়ে অনেক উঁচু। ইতিহাস-ঐতিহ্যের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে রংপুরের পীরগাছা উপজেলার ইটাকুমারী জমিদারবাড়িতে। অবাক করা বিষয় আড়াই শ বছরের পুরোনো এ গাছটিতে এখনো কাঠগোলাপ ফোটে। কাঠগোলাপের ফুল সাধারণত বিচিত্র গড়নের। কোনো কোনো ফুল দুধের মতো সাদা, কোনোটি সাদা পাপড়ির ওপর হলুদের ছোঁয়া, আবার কোনোটি লালচে গোলাপি রঙের। আবার সাদা রঙের কিছু ফুল দীর্ঘ মঞ্জরিদণ্ডের আগায় ঝুলে থাকে। ইটাকুমারীর কাঠগোলাপগুলো সাদা ও হলুদ রঙের মিশেলে। কাঠগোলাপ দক্ষিণ ভারত, মেক্সিকো, মধ্য আমেরিকা, ভেনেজুয়েলার স্থানীয় ফুল। কাঠগোলাপ বিভিন্ন নামে পরিচিত যেমন গুলাচি, গোলাইচ, গোলকচাঁপা, চালতাগোলাপ ইত্যাদি। ইটাকুমারীর কাঠগোলাপ গাছটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে এ দেশের ইংরেজবিরোধী আন্দোলনের ইতিহাস এবং জমিদারির ঐতিহ্য। ইটাকুমারীর জমিদার শিবচন্দ্র রায় মোগল ও আধুনিক স্থাপত্যে নির্মাণ করেছিলেন রাজবাড়িটি। এখন এটি ধ্বংসের দ্বার...
Image
 ইনস্টাগ্রামে কিশোর-কিশোরীরা কী দেখে? ইনস্টাগ্রামে কিশোর-কিশোরীরা “খাবারজনিত মানসিক ব্যাধি-সম্পর্কিত” কনটেন্ট তিন গুণ বেশি দেখছে। মেটার অভ্যন্তরীণ এক গবেষণা প্রতিবেদনে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। মেটার জরিপে দেখা গেছে, যেসব কিশোর-কিশোরী নিজেদের শরীর নিয়ে হতাশ, তারা ইনস্টাগ্রামে শরীরিক বিষয়ক কনটেন্ট বেশি দেখছে। এমন সব পোস্ট দেখছে যেখানে দেহের নির্দিষ্ট অঙ্গের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে- যেমন বুক, উরু ও নিতম্ব। গবেষণায় এমন সব ভয়াবহ কনটেন্টও পাওয়া গেছে, যেগুলোর মধ্যে ছিল অন্তর্বাস পরা অতিমাত্রায় রোগা নারীর ছবি, নিজের গলা কেটে ফেলা এক নারীর ছবি এবং কান্নারত একটি চরিত্রের অঙ্কন। যার পাশে লেখা ছিল, “আমি কখনোই তুলনীয় নই” ও “সব শেষ করে দাও।”  এসব দৃশ্য এতটাই সংবেদনশীল যে মেটার গবেষকরা অভ্যন্তরীণভাবে এগুলোতে “সেনসেটিভ কনটেন্ট” লেবেল যুক্ত করতে বাধ্য হন। মেটার পরামর্শক দলও স্বীকার করেছে, ইনস্টাগ্রামে কিশোরদের জন্য এ ধরনের কনটেন্টের পরিমাণ সীমিত করা জরুরি। তবে এসব ছবি ও ভিডিও ইনস্টাগ্রামের নীতিমালা অনুযায়ী নিষিদ্ধ নয়। ফলে নতুন নীতিমালা কার্যকর হলেও কনটেন্টগুলো পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হবে না, ব...
Image
 যে কাজগুলো আপনাকে সম্মানিত করবে আপনি কি কখনো লক্ষ্য করেছেন যে কিছু মানুষ যেখানেই যান, অন্যের কাছে সব সময় সম্মানিত হন? মানুষ তাদের কথা শোনে এবং তাদের সাথে ভালো আচরণ করে। কিন্তু, কিছু মানুষ অন্যদের তুলনায় কেন বেশি সম্মান অর্জন করে? সম্মান অর্জন ক্ষমতাশালী বা জনপ্রিয় হওয়ার বিষয় নয়, এটি অন্যদের সঙ্গে আপনি কীভাবে আচরণ করেন এবং প্রতিদিন নিজেকে কীভাবে পরিচালনা করেন তার ওপর নির্ভর করে। ছোট ছোট কিছু অভ্যাস ধীরে ধীরে সম্মান তৈরি করে। চলুন জেনে নেওয়া যাক, কোন কাজগুলো আপনাকে সম্মানিত করবে- কথা রাখুন মানুষ তাদের সম্মান করে যারা তাদের কথা দিলে কথা রাখে। যখন কোনো প্রতিশ্রুতি দেবেন, তা পালন করুন - হতে পারে তা সময়মতো উপস্থিত হওয়া, কোনো কাজ সম্পন্ন করা বা গোপন রাখা যাই হোক না কেন। এটি আপনাকে আরও নির্ভরযোগ্য এবং বিশ্বাসযোগ্য করে তুলবে। এদিকে, প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা, এমনকী ছোট ছোট প্রতিশ্রুতিও, আপনাকে কম বিশ্বাসযোগ্য করে তুলবে। কম কথা বলুন, বেশি শুনুন মনোযোগ দিয়ে অন্যের কথা শুনতে পারাটাও এক ধরনের শিল্প - যা সবচেয়ে অবমূল্যায়িত অভ্যাসের মধ্যে একটি। যখন আপনি সত্যিই কারো কথার প্রতি মনোযোগ দেবেন - ...
Image
রংপুরে গরুর ‘আবাসিক হোটেল’ : ৫০ টাকায় গরুর রাত্রিযাপন বিভাগীয় নগরী রংপুরের প্রবেশদ্বার মডার্ন মোড়ের ধর্মদাস এলাকায় ব্যক্তি উদ্যোগে গড়ে তোলা হয়েছে গরু রাখার “আবাসিক হোটেল”। দিনে মাত্র ৪০ টাকা ভাড়ায় সেখানে গরু রেখে যেতে পারছেন ব্যবসায়ী ও খামারিরা। প্রায় ৪০০ গরু ধারণক্ষমতার এই হোটেল ইতোমধ্যেই উত্তরাঞ্চলে সাড়া ফেলেছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে গরু বিক্রির উদ্দেশ্যে রংপুরে আসেন ব্যবসায়ী ও খামারিরা। আগে গরু রাখার নির্দিষ্ট কোনো জায়গা না থাকায় নিরাপত্তা ও খাবারের সমস্যা নিয়ে বিপাকে পড়তে হতো তাদের। এসব সমস্যা সমাধানেই স্থানীয় উদ্যোক্তা আলমগীর হোসেনের উদ্যোগে গড়ে তোলা হয় গরুর জন্য এই বিশেষ আবাসিক হোটেল। হোটেলের মালিক আলমগীর হোসেন জানান, প্রতিটি গরুর জন্য দৈনিক ৪০ টাকা ভাড়া নেওয়া হয়। গরুর খাবারের ব্যবস্থা মালিককেই করতে হয়, তবে প্রয়োজনে হোটেলের কর্মচারীরা খাবার সরবরাহ করে দেন। হোটেলটি পরিচ্ছন্ন রাখা এবং পশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই তাদের প্রধান দায়িত্ব। চট্টগ্রাম থেকে গরু কিনতে আসা ব্যবসায়ী সালাম সরকার বলেন, “আগে রংপুরে গরু কিনে রাখার জায়গা না থাকায় নানান সমস্যায় পড়তে হতো। এখন আবা...
Image
সমবায় দিবসে বক্তারা : স্বাবলম্বীর পাশাপাশি দায়িত্বশীল হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলুন সাম্য ও সমতায়, দেশ গড়বে সমবায়’- এই প্রতিপাদ্যে সারা দেশে ৫৪তম জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত র‌্যালি আলোচনা সভা করা হয়।  রংপুরে ৫৪তম জাতীয় সমবায় দিবস উপলক্ষে গতকাল সকালে রংপুর বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন রংপুরের স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিচালক আবু জাফর। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রংপুর বিভাগীয় সমবায় কার্যালয়ের উপ-নিবন্ধক মাসুদ পারভেজ। রংপুর সমবায় বিভাগ এই অনুষ্ঠান আয়োজন করে। প্রধান অতিথির বক্তব্যে আবু জাফর বলেন, সমবায় সমিতির সদস্যগণ সম্মিলিতভাবে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ করে। স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি অন্যের প্রতি দায়িত্বশীল হিসাবে নিজেদের গড়ে তোলেন। আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন ডিআইজি রংপুর রেঞ্জের পুলিশ সুপার (ট্রাফিক অ্যান্ড অপারেশন্স) বি এম আশরাফুল উল্যাহ তাহের, রংপুর আঞ্চলিক সমবায় ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ (উপনিবন্ধক) সুমন আহমেদ প্রমুখ। জামালপুর : গতকাল সমবায় দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সভ...
Image
 রংপুরে কবরের মাটি নিয়ে বিরোধে নিহত ১, পরিবারে আহাজারি রংপুরের তারাগঞ্জে কবরের মাটি তোলাকে কেন্দ্র করে বিরোধে প্রতিপক্ষের মারধরে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। আজ শনিবার সকাল আটটার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান খালেকুজ্জামান নামের ওই ব্যক্তি। এর আগে গতকাল শুক্রবার ভোরে তিনি মারধরের শিকার হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। উপজেলার হাড়িয়ারকুঠি ইউনিয়নের কিসামত মেনানগর বড়বাড়ি গ্রামে খালেকুজ্জামানের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় তাঁর স্ত্রী আহাজারি করছেন। বলছেন, ‘মোর স্বামী তো মারামারি থামাইতে গেছিল, কারও গায়ে হাত তোলে নাই। কিন্তু ওমরা খুন্তি দিয়া মাথা ফাটায়, মগজ বের কইরা ওক (স্বামী) মাইরা ফেলল। এলা মোর কী হইব? বাচ্চা দুইটা কাক আব্বু কইয়া ডাকব? ওমরা যে এতিম হইয়া গেল। হামাক দেখার কায়ও রইল না।’ মামলা, ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হাড়িয়ারকুঠি ইউনিয়নের কিসামত মেনানগর বড়বাড়ি গ্রামের আবদুল জব্বারের সঙ্গে খালেকুজ্জামানের ভাইদের দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। গতকাল ফজরের নামাজ শেষে নিহত খালেকুজ্জামানের ভাই আবদুল ছালেক বাড়ির পাশে তাঁদের দাদির কবর জিয়ারত করতে যান। সেখানে ...