Posts

Showing posts from October, 2025
Image
 নেই পরিবেশ ও বিদ্যুৎ আদালত : দূষণ আর ভোগান্তিতে নাভিশ্বাস রংপুরের বাসিন্দাদের বিভাগীয় জেলা রংপুরে ১৫ বছর ধরে পরিবেশ আদালত স্থাপন না হওয়ায় দূষণকারীদের বিচার বিলম্ব হচ্ছে। ফলে বায়ু, পানি, মাটি ও শব্দদূষণ অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে। শুকনো মৌসুমে বায়ুমান পরীক্ষায় রংপুর প্রায়ই দূষিত বায়ুর শীর্ষে অবস্থান করে, যা স্থানীয়দের স্বাস্থ্য ও জীবনযাত্রাকে হুমকির মুখে ফেলেছে। অন্যদিকে বিদ্যুৎ আদালত না থাকায় ৫০ লাখেরও বেশি গ্রাহককে ঢাকায় ছুটতে হয়, যা অর্থনৈতিক ও মানসিক ভোগান্তি বাড়িয়েছে। সচেতন মহলের দাবি, অবিলম্বে এই দুই আদালত স্থাপন করে সরকার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করুক। সরকার ২০১০ সালের ১৯ জুলাই প্রতি জেলায় পরিবেশ আদালত স্থাপনের ঘোষণা দিয়েছিল, সঙ্গে ‘পরিবেশ আদালত আইন-২০১০’ অনুমোদন করে আইন লঙ্ঘনকারীদের পাঁচ বছরের সাজা ও পাঁচ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রেখেছিল। কিন্তু ১৫ বছর পার হয়ে গেলেও রংপুরে এই আদালত গঠিত হয়নি। ফলে, পরিবেশ অধিদফতরের কর্মকর্তারা কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারছেন না। মামলাগুলো চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে চলছে, যেখানে মামলার চাপে নিষ্পত্তি বিলম্বিত হচ্ছে। এদিকে বায়ু দূষণ ন...
Image
রংপুর : মনোনীত হয়েও বৃত্তির টাকা থেকে বঞ্চিত ২৯ শিক্ষার্থী  মনোনীত হয়েও প্রাথমিক বৃত্তির টাকা থেকে বঞ্চিত রংপুরের গঙ্গাচড়ার ২৯ শিক্ষার্থী। গত তিন বছরে বৃত্তির টাকা না পাওয়ায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে হতাশা ও উদ্বেগ কাজ করছে। প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ১৩৭ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি অর্জন করে। এরমধ্যে ট্যালেন্টপুল গ্রেডে ৭৬ জন ও সাধারণ গ্রেডে ৬১ জন। তথ্য অনুযায়ী, বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা উপজেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হন। বর্তমান তারা অষ্টম শ্রেণিতে অধ্যায়নরত। বৃত্তিপ্রাপ্তির তিন বছর পূর্তি হতে আর কয়েকদিন বাকি। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, এখন পর্যন্ত বৃত্তির অর্থ হাতে পায়নি উপজেলার ২৯ জন শিক্ষার্থী। এরমধ্যে গঙ্গাচড়া সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের রয়েছে ৯ জন, গঙ্গাচড়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ২ জন, বড়বিল দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ২ জন, চেংমারী মাদ্রাইন দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ২ জন, খয়েলা গঞ্জিপুর স্কু...
Image
তথ্যযুদ্ধের যুগে ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা ঢাল’ গড়ছেন রংপুরের সাংবাদিকরা   তথ্যযুদ্ধের এই যুগে সাংবাদিকতার ময়দানেও নিরাপত্তা এখন শুধু পেশাগত ঝুঁকি এড়ানোর বিষয় নয়, বরং ডিজিটাল পরিসরে টিকে থাকার এক সংগ্রাম। ভুয়া খবর, হ্যাকিং, নজরদারি ও ডেটা ফাঁসের ভেতর দিয়ে যখন সত্য প্রকাশই হয়ে উঠেছে এক বড় চ্যালেঞ্জ, তখন নিজেদের সুরক্ষায় ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা ঢাল’ গড়ে তুলছেন রংপুরের সাংবাদিকরা। রংপুরে সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মীদের জন্য অনুষ্ঠিত হয়েছে দিনব্যাপী ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা ও সুরক্ষা’ বিষয়ক কর্মশালা। এতে প্রযুক্তিগত সুরক্ষা থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত প্রাইভেসি সচেতনতা পর্যন্ত হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।   ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা এখন আর কেবল প্রযুক্তিবিদদের বিষয় নয়, সাংবাদিকতা ও অধিকার রক্ষার সঙ্গেও এটি গভীরভাবে যুক্ত’—এই বার্তা সামনে রেখে রংপুরের এনজিও ফোরাম ফর পাবলিক হেলথ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে কর্মশালাটি আয়োজন করে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘ভয়েস’। প্রতিষ্ঠানটি ধারাবাহিকভাবে এমন প্রশিক্ষণের আয়োজন করে আসছে।   কর্মশালায় স্থানীয় সংবাদপত্র, টেলিভিশন ও অনলাইন মিডিয়ায় কর্মরত তরুণ সাংবাদিকরা এবং মানব...
Image
রংপুরে শিশু পার্কের মিনি ট্রেনের চাপায় শিশুর মৃত্যু; ডেথ সার্টিফিকেটও নেয়নি পরিবার রংপুর চিড়িয়াখানায় মিনি ট্রেনের চাপায় আড়াই বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে এ ঘটনায় শিশুটির পরিচয় নথিভুক্ত করার আগেই হাসপাতাল থেকে মরদেহ নিয়ে চলে যায় পরিবার।  চি ড়িয়াখানার ভেতরে অবস্থিত শিশু পার্কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। কোতোয়ালি থানা পুলিশ ও চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এ বিষয়ে চিড়িয়াখানার কিউরেটর ডা. মো. ওমর আলী বলেন, ‘নিহত শিশুটি লালমনিরহাট জেলা থেকে বাবা-মায়ের সঙ্গে ঘুরতে এসেছিল বলে জানা গেছে। তবে নাম-পরিচয় জানা যায়নি। চিড়িয়াখানার ঠিকাদার সোহরাব হোসেন বলেন, ‘দুপুর ১টার দিকে শিশু পার্কের মিনি ট্রেনটি চলছিলো। এ সময় একটি শিশু হঠাৎ ট্রেনের নিচে পড়ে গুরুতর আহত হয়। শিশুটির পরিবার খেয়াল না রাখায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। পরে শিশুটির পরিবার ও আমাদের পার্কের লোকজন মিলে শিশুটিকে তাৎক্ষণিক রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে আমরা তাদের নাম পরিচয় জানতে চাই কিন্তু তারা আমাদের কিছু না বলে চলে যায়।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের কিছু ভুল ছিল, আমরা সেটা স্বীকার ক...
Image
 রংপুরে ফারইস্ট অফিসের সামনে বিক্ষোভ বীমার টাকা না পেয়ে গ্রাহকদের সড়ক অবরোধ, কর্মকর্তারা অবরুদ্ধ ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের রংপুর জোনাল অফিসে উত্তেজনা ও বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ উঠেছে, গ্রাহকদের কোটি কোটি টাকার বীমা দাবি পরিশোধ না করে অফিসের মালপত্র বিক্রি করে পালানোর চেষ্টা করছিলেন কর্মকর্তারা। খবর পেয়ে ক্ষুব্ধ গ্রাহকেরা দ্রুত অফিসে গিয়ে তাদের অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে তারা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার মধ্যরাতে অফিসের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী আসবাবপত্র ও দামি সরঞ্জাম বাইরে নিতে গেলে স্থানীয় গ্রাহকদের সন্দেহ হয়। তারা দ্রুত অফিসে গিয়ে মালামাল আটক করেন এবং কর্মকর্তাদের জবাবদিহির জন্য অবরুদ্ধ করে রাখেন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে রোববার সকাল থেকেই অফিসের সামনে গ্রাহকদের ভিড় বাড়তে থাকে। দুপুর নাগাদ গ্র্যান্ড হোটেল জামাল মার্কেটের সামনে অফিসের নিচে নগরীর প্রধান সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা। সরেজমিনে দেখা যায়, গ্র্যান্ড হোটেল মোড়ে গ্রাহকেরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন। এ সময় অফিসের লকার, চেয়ার-টেবিল, আসবাবপত্র ও ...
Image
 রংপুরে অসময়ে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে কনকচাঁপা, কদম আর কৃষ্ণচূড়া সময়ের সব কিছু মধুর হলেও অসময়ের সুন্দর জিনিসকে উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। বিষয়টি যদি ফুল নিয়ে হয়, তাহলে আর কথাই নেই। কারণ, ফুল পছন্দ করেন না এমন মানুষ বোধ হয় খুঁজে পাওয়া মুশকিল। রংপুর অঞ্চলে অসময়ে গাছে গাছে ফুটেছে কনকচাঁপা, কদম আর কৃষ্ণচূড়া। উদ্ভিদ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রকৃতির পরিবর্তনের কারণেই এমনটি হচ্ছে। প্রকৃতি বিশেষজ্ঞ রানা মাসুদ বলেন, উত্তরাঞ্চলের আবহাওয়ার পরিবর্তন ঘটেছে, কোনো কিছুই স্বাভাবিক থাকছে না। কার্তিকের মাঝামাঝি সময় হলেও দেখা নেই শীতের, কখনো প্রচণ্ড গরম কখনো হালকা শীত অনুভূত হচ্ছে। প্রকৃতি যেন এই অঞ্চলে বিরূপ আচরণ করছে। মানুষ, প্রাণী, উদ্ভিদ সবকিছুই নির্দিষ্ট সময়ে নিজেকে প্রকাশ করে। কিছু ব্যতিক্রম দেখা যায় অনেক সময়। উদ্ভিদ জগতেও বিভিন্ন সময়ে ব্যতিক্রম দেখা যায়। তেমনই রংপুর নগরীর বিভিন্ন স্থানে অসময়ে মুগ্ধতা ছড়াতে দেখা গেছে বসন্ত এবং বর্ষা ঋতুর ফুল। এসব প্রকৃতিপ্রেমীর জন্য আনন্দের খোরাক হলেও অনেকের মধ্যে ভাবের উদয় হয়েছে। তারা ভাবছেন, ঋতুচক্রের পথপরিক্রমায় প্রকৃতি কিছুটা খেই হারিয়ে ফেলেছে।  এ ফুল দেখে সামাজিক যোগা...
Image
 স্ত্রীকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা, স্বামী গ্রেপ্তার স্ত্রীকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা মামলার প্রধান আসামি স্বামীকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-১০, ফরিদপুর ক্যাম্পের একটি দল। রোববার (২৬ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে র‍্যাব-১০, ফরিদপুর ক্যাম্প শহরের গোয়ালচামট এলাকায় নিজ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। র‍্যাবের স্কোয়াড লিডার ও কোম্পানি কমান্ডার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির নাম সৌরভ কুমার দাস (২২)। তিনি তার স্ত্রী ঝর্ণা ওরফে বন্যাকে (২১) নিয়ে মধুখালী উপজেলার পশ্চিম গাড়াখোলা এলাকার নজরুল ইসলামের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন। গত ২০ অক্টোবর সকাল আনুমানিক সাড়ে ৫টা থেকে সাড়ে ৬টার মধ্যে ওই ভাড়াবাড়িতেই হত্যাকাণ্ডটি ঘটে। এ ঘটনায় পরদিন ২১ অক্টোবর নিহত ঝর্ণার মা শেফালী রানী বাদী হয়ে সৌরভকে প্রধান আসামি করে মধুখালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকেই সৌরভ পলাতক ছিলেন। র‍্যাব জানায়, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নিহতের স্বামী সৌরভকে আইনের আওতায় আনতে র‍্যাব-১০-এর অধিনায়কের কাছে আবেদন করেন। এর পরিপ্...
Image
সেনাপ্রধান : দেশ গঠনে কোর অব ইঞ্জিনিয়ার্সের ভূমিকা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে নাটোরের কাদিরাবাদ সেনানিবাসের ইঞ্জিনিয়ার সেন্টার অ্যান্ড স্কুল অব মিলিটারি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে (ইসিএসএমই) কোর অব ইঞ্জিনিয়ার্সের ৯ম কর্নেল কমান্ড্যান্ট অভিষেক অনুষ্ঠান এবং বার্ষিক অধিনায়ক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২৬ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। আইএসপিআর জানায়, অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। সেনাবাহিনী প্রধান ইসিএসএমই পৌঁছালে তাকে জিওসি, আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড, সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার-ইন-চিফ এবং কমান্ড্যান্ট, ইসিএসএমই অভ্যর্থনা জানান। অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানকে কোর অব ইঞ্জিনিয়ার্সের ৯ম কর্নেল কমান্ড্যান্ট হিসেবে অভিষিক্ত করা হয়। পরে তিনি বার্ষিক অধিনায়ক সম্মেলনে উপস্থিত কোর অব ইঞ্জিনিয়ার্সের অধিনায়ক ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেন এবং কোরের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, গবেষণা, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময়...
Image
মেট্রোরেলে দুর্ঘটনা : নিহতের পরিবার পাবে ৫ লাখ, পরিবারে কর্মক্ষম থাকলে দেওয়া হবে চাকরি সড়ক ও রেল উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান বলেছেন, মেট্রোরেলের বিয়ারিং প্যাড খুলে নিহত হওয়া ব্যক্তির পরিবারকে প্রাথমিকভাবে ৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। এছাড়া তার পরিবারে কর্মক্ষম কোনো ব্যক্তি থাকলে তাকে মেট্রোরেলে চাকরির ব্যবস্থা করা হবে। রোববার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, নিহত ব্যক্তির পরিবারের সব দায়-দায়িত্ব মেট্রোরেল গ্রহণ করবে। প্রাথমিকভাবে নিহতের পরিবারকে ৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। পরে নিহতের পরিবারে যদি কর্মক্ষম সদস্য থাকে তাহলে তাকে মেট্রোরেলে চাকরি দেওয়া হবে। আহতদের আমি একটু পরে হাসপাতালে দেখতে যাব এবং তাদের চিকিৎসার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব। তিনি আরও বলেন, দুর্ঘটনায় সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আব্দুর রউফকে আহ্বায়ক করে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেবে। রাজধানীর ফার্মগেট এলাকায় মেট্রোরেলের বিয়ারিং প্যাড খুলে পড়ে আবুল কালাম নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ...
Image
 অক্টোবরের ২৫ দিনে প্রবাসী আয় ছাড়াল ২ বিলিয়ন ডলার চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম ২৫ দিনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে পাঠিয়েছেন ২০৩ কোটি ২৯ লাখ (২.০৩ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার। দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৫০ পয়সা হিসাবে)। রোববার (২৬ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে পাঠানো প্রবাসী আয় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে স্বস্তি ফিরিয়েছে। হুন্ডি প্রতিরোধে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ, প্রণোদনা ও ব্যাংকিং ব্যবস্থার উন্নতির কারণেই রেমিট্যান্সে এই ইতিবাচক ধারা অব্যাহত আছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবরের প্রথম ২৫ দিনে রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৮ কোটি ৪৬ লাখ ৪০ হাজার ডলার এবং বিশেষায়িত দুই ব্যাংকের মধ্যে এক ব্যাংকে (কৃষি ব্যাংক) এসেছে ১৯ কোটি ৭০ লাখ ৭০ হাজার ডলার। বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১৪৪ কোটি ৬৩ লাখ ৪০ হাজার ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪৮ লাখ ৭০ হাজার ডলার। এদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গ...
Image
 লিটন চান বিশ্বকাপের আগে ক্রিকেটাররা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ুক আগামী বছর ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর বসবে। তার আগে নিজেদের ঝালিয়ে নেওয়ার জন্য ২টি আন্তর্জাতিক সিরিজ পাচ্ছে টাইগাররা। যার একটি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে শুরু হচ্ছে আগামীকাল থেকে। যে কারণে এই দুই সিরিজে ক্রিকেটাররা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ুক এমনটাই চান লিটন দাস। শুরুতে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিয়ে লিটন বলেছেন, ‘পার্থক্য তেমনটা কিছু না। এখন আমরা চেষ্টা করছি ভালো উইকেটে খেলার জন্য। আপনি যখনই ভালো উইকেটে খেলবেন। ব্যাটারদের সফল হওয়ার সুযোগটা বেশি থাকবে। দলে যতগুলো ক্রিকেটার আছে ছয় থেকে সাত পর্যন্ত যত ব্যাটার আছে তাদের মধ্যে আমার ছয়ের সংখ্যা কম। দলের এখন বেশির ভাগ ক্রিকেটারই বড় বড় ছয় মারতে পারেন। এটা বাংলাদেশ দলের জন্য ইতিবাচক দিক। কিন্তু একই সঙ্গে ক্রিকেট শুধু ছয়ের ওপর দিয়ে গেলে হবে না। যদি প্রয়োজন হয় ছক্কা মারবে। অন্যথায় প্রয়োজন পড়লে এক দু্ই রানের দিকেও যেতে হবে।’ ‘সত্যি কথা বলতে, আমি চাই, যেন আমাদের খেলোয়াড়রা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে। সেটা ব্যাটিংয়ে হতে পারে, বোলিংয়ে হতে পারে। আমি মনে করি, এই ছয়টা ম্যাচে আমরা যতটা ...
Image
পর্নোগ্রাফি মামলায় গ্রেপ্তার যুগলের দোষ স্বীকার পর্নোগ্রাফির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে করা মামলায় গ্রেপ্তার যুগল আজিম ও বৃষ্টি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। রোববার (২৬ অক্টোবর) পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে সিআইডির উপ-পরিদর্শক মিজানুর রহমান আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ডের আবেদন করেন। এর আগে আসামিরা আদালতে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হয়।  আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা আসামি মুহাম্মদ আজিমের ও মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেরা মাহাবুব আসামি বৃষ্টির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।  এর আগে গত ১৯ অক্টোবর দিবাগত রাতে বান্দরবানের রোয়াংছড়ি বাস স্টেশন সংলগ্ন হাজিপাড়া এলাকার ছয়তলা ভবনের একটি ফ্ল্যাট বাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। মামলা সূত্রে জানা গেছে, ১৫ দিন আগে বান্দরবান এসে ফল ব্যবসা করার কথা বলে ওই এলাকায় বাসা ভাড়া নেন তারা। এরপর থেকে তারা ওই বাসায় বসবাস করে আসছিলেন। এলাকায় তাদের সঙ্গে কারও পরিচয় ছিল না। জরুরি কাজ ছাড়া তারা বাসা থেকে তেমন একটা বেরও হত...
Image
 ফুসফুস ভালো রাখতে কী খেতে হবে? প্রকৃতিতে হেমন্তের বাতাস বইতে শুরু করেছে। এর হাত ধরেই আসবে শুষ্কতার দিন। কারণ দরজার ওপারে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছে শীতকাল। আবহাওয়ার পরিবর্তনে এমন সময় বাড়তে থাকে দূষণের মাত্রাও। বিশেষ করে কমতে থাকে বাতাসের মান। যে কারণে তা আমাদের শ্বাসযন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। ফুসফুসের যত্ন নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিছু খাবার ও খাদ্যাভ্যাস ফুসফুসের পরিশ্রম কমিয়ে আপনাকে সহজে শ্বাস নিতে সাহায্য করবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক- ১. হাইড্রেশন বজায় রাখুন সুস্থ ফুসফুস বজায় রাখার জন্য পর্যাপ্ত পানি পান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই অভ্যাস শ্বাসনালীতে শ্লেষ্মা পাতলা রাখতে সাহায্য করে, যা বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেওয়া সহজ করে তোলে। ভেষজ চা, মধু দিয়ে গরম পানি এবং গ্রিন টি এক্ষেত্রে বেশ কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে। আমেরিকান জার্নাল অফ রেসপিরেটরি অ্যান্ড ক্রিটিক্যাল কেয়ার মেডিসিনের একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, গ্রিন টি ফুসফুসের কার্যকারিতা উন্নত করতে সাহায্য করে। ২. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গ্রহণ করুন ভিটামিন সি এবং ই-এর মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ফল এবং শাক-সবজি দূষণের...
Image
 ক্যানসার থেকে বাঁচার সহজ উপায় জানাল হার্ভার্ড, ৩ পানীয়েই মিলবে রক্ষা ‘ক্যানসার’ এখন শুধু অসুখ নয়, এক আতঙ্কের নাম। রোগীর মানসিক চাপের পাশাপাশি পরিবার-পরিজনও পড়ে যান দুশ্চিন্তার গভীরে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের অগ্রগতি সত্ত্বেও ক্যানসার শনাক্ত হয় বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তৃতীয় বা চতুর্থ ধাপে, যখন চিকিৎসাও হয়ে পড়ে জটিল।  চিকিৎসকেরা বলেন, রোজের জীবনযাপন, খাওয়াদাওয়ার অভ্যাস সবকিছুই এর জন্য দায়ী। স্তন, কোলন, প্রস্টেট, ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার হার আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসারও চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছে। ক্যানসার সাধারণ হোক বা বিরল, সব ক্ষেত্রেই এই ‘গ্রোথ অব সেল’ হবেই। খুব তাড়াতাড়ি এক কোষ থেকে অন্য কোষে তা ছড়াবে। এমন বাস্তবতায় জীবনধারায় সামান্য পরিবর্তন এনে ক্যানসারের ঝুঁকি কমানো সম্ভব—এমনটাই জানালেন হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক। তাদের মতে, ওষুধ বা দামী সাপ্লিমেন্ট নয়, মাত্র তিনটি ঘরোয়া পানীয় নিয়মিত গ্রহণ করলেই শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায় এবং কমে ক্যানসারের ঝুঁকি। সুপারিশকৃত সেই তিন পানীয় হলো- ১. মাচা গ্রিন টি মাচা চা-তে থাকে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্...
Image
বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে ভাড়া নির্ধারণে আগ্রহী রেলওয়ে   বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে ভাড়া নির্ধারণ এবং আয় বাড়াতে আগ্রহী বাংলাদেশ রেলওয়ে। রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন জানিয়েছেন, বর্তমান সময়ে রেলওয়ের আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি, তবে তা নিয়ন্ত্রণে আনা হচ্ছে। রাজধানীর রেল ভবনে সড়ক, রেলপথ, যোগাযোগ অবকাঠামো ও পরিবহন সম্পর্কিত খাত নিয়ে কাজ পেশাদার সাংবাদিকদের সংগঠন রিপোর্টার্স ফর রেল অ্যান্ড রোড (আরআরআর) আয়োজিত এক মতবিনিময় তিনি এ কথা বলেন। আফজাল হোসেন বলেন, আমাদের এখন আয়ের তুলনায় ব্যয় বেশি। এক টাকা আয় করতে আমরা দুই টাকা ব্যয় করি। এটি আগে আরও বেশি ছিল, তখন এক টাকা আয় করতে আড়াই টাকা ব্যয় হতো। আমাদের পরিকল্পনা হলো আয়-ব্যয় পার্থক্য কমিয়ে আনা এবং ভাড়া বাড়িয়ে আর্থিক সক্ষমতা বাড়ানো। আমাদের বর্তমান ভাড়া প্রায় ১০ বছর আগের মূল্যে নির্ধারিত, সেই সময় থেকে মেইনটেন্যান্স, স্টাফ বেতনসহ অন্যান্য খরচ বেড়েছে। পেনশনেও প্রায় ১০০০ কোটি টাকা খরচ হয়, যা অপারেটিভ কস্টের অংশ। তিনি বলেন, আমাদের মোট আয়ের ৮০–৯০ শতাংশ আসে ট্রেন অপারেশন থেকে। বাকি ১০ শতাংশ আসে নন-রেল ব্যবসা থেকে, যেমন অপটিক্যাল ফাইবার, রেলওয়ে ল্যান্ড এবং স...
Image
আমিরাতের ধনকুবের খালাফ আল-হাবতুর গাজা পুনর্গঠনে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভূমিকা দেখতে চান এই ধনকুবের মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে গাজার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে ভূমিকা রাখার জন্য অনুরোধ করেছেন এবং ছিটমহলের পুনর্গঠনের জন্য একটি প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন। আল হাবতুর গ্রুপের চেয়ারম্যান, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ধনকুবের খালাফ আহমেদ আল হাবতুর, গাজা পুনর্গঠন পরিকল্পনার প্রস্তাব নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে একটি খোলা চিঠি লিখেছেন। ইসরায়েলের দুই বছরের আক্রমণের ফলে এই ভূমি অচেনা হয়ে পড়েছে এবং শান্তির সময়ে পুরো শহরগুলিকে পুনরুজ্জীবিত করা প্রয়োজন। এই লক্ষ্যে, আল হাবতুর পুনর্গঠনের জন্য একটি পরিকল্পনা প্রস্তাব করেছেন। ট্রাম্প মিশরে পৌঁছানোর সাথে সাথে, তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে একটি খোলা চিঠি প্রকাশ করেন, যেখানে তাকে দেখানো হয় যে আল হাবতুর এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত গাজার ভবিষ্যতে কীভাবে ভূমিকা পালন করতে পারে। ৩,৭৬৯ / ৫,০০০ আল হাবতুর গ্রুপ ১৯৭০ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে জন্মগ্রহণ করে এবং বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এর উপস্থিতি রয়েছে। চিঠির স...
Image
 ইউরোপ ভ্রমণে নতুন পদ্ধ‌তি‌র আওতায় বাংলাদেশিরাও ইউরোপ ভ্রমণের ক্ষেত্রে রোববার (১২ অ‌ক্টোবর) থেকে নতুন এন্ট্রি ও এক্সিট পদ্ধতির আওতায় বাংলাদেশিরাও পড়বেন।  ঢাকার ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) অফিস এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে। বার্তায় জানা‌নো হ‌য়ে‌ছে, ইইউর বাইরের নাগরিকদের জন্য জানা‌নো যা‌চ্ছে, বাংলাদেশিদের ম‌ধ্যেও যারা ইউরোপ ভ্রমণ কর‌বেন ১২ অক্টোবর থেকে প্রবেশ/প্রস্থান ব্যবস্থা ধীরে ধীরে রেকর্ড করবে। এ রেকর্ডে থাকবে ভ্রমণ নথি, ভ্রমণের তারিখ ও বায়োমেট্রিক তথ্য। যারা ২৯টি ইউরোপীয় দেশে স্বল্প সময়ের জন্য ভ্রমণ করছেন তা‌দের জন্য এটি প্রযোজ্য হ‌বে। জানা গে‌ছে, রোববার থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশে এন্ট্রি ও এক্সিট পদ্ধতি কার্যকর শুরু হয়েছে। ফলে নন-ইইউ ভ্রমণকারী ও ব্রিটিশ পর্যটকরা যেভাবে ইইউ অঞ্চলে এন্ট্রি ও এক্সিট করত, তা বদলে যাবে। এন্ট্রি এবং এক্সিট সিস্টেম (ইইএস) অনুযায়ী, নন-ইইউ ভ্রমণকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য, যেমন- আঙুলের ছাপ ও মুখের ছবি প্রথমবার ইইউভুক্ত (শেনজেন অঞ্চল) ২৯টি দেশে প্রবেশ করার সময় নিবন্ধন করতে হবে। ওই অঞ্চলে সব ইউরোপীয় দেশ অন্তর্ভুক্ত, শুধু আয়ারল্যান্ড ও সাইপ্রাস বাদ।...
Image
 ডিএফটি এয়ারপোর্ট মূল্যায়নে ভালো অবস্থানে বাংলাদেশের বিমানবন্দরগুলো বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) গত আগস্ট মাসে যুক্তরাজ্যের ডিপার্টমেন্ট ফর ট্রান্সপোর্ট (ডিএফটি) পরিচালিত বিমানবন্দর মূল্যায়নে ভালো অবস্থান অর্জন করেছে। এ মূল্যায়নকে বাংলাদেশের বিমানবন্দরগুলোর এক অসাধারণ সাফল্য বলে জানিয়েছে বেবিচক রোববার (১২ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বেবিচক জানায়, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ঢাকা সামগ্রিক মূল্যায়নে ৯৩ শতাংশ এবং অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা (কার্গো) মূল্যায়নে ১০০ শতাংশ নম্বর অর্জন করেছে। একইভাবে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, সিলেট সামগ্রিকভাবে ৯৪ শতাংশ এবং অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা (কার্গো) মূল্যায়নে ১০০ শতাংশ নম্বর পেয়েছে। ডিএফটি মূল্যায়ন দল বেবিচকের প্রস্তুতি ও কার্যক্রমে গভীরভাবে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে। বেবিচক জানায়, ডিএফটি এয়ারপোর্ট অ্যাসেসমেন্ট হলো যুক্তরাজ্য সরকারের একটি আনুষ্ঠানিক আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মূল্যায়ন ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে বিদেশি বিমানবন্দরগুলোতে যাত্রী ও কার্গো নিরাপত্তা মানদণ্ড যাচাই করা হয় এবং যুক্তরাজ্যের চাওয়া অতিরিক্ত নি...
Image
 ‘সেফ এক্সিট’, যা বলছেন উপদেষ্টারা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের সাম্প্রতিক ‘সেফ এক্সিট’ (নিরাপদ প্রস্থান) বিষয়ক মন্তব্য ঘিরে দেশের রাজনীতিতে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। তবে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজন উপদেষ্টা প্রকাশ্যে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করে জানিয়েছেন– ‘সেফ এক্সিট নয়, বাকি জীবন বাংলাদেশেই কাটাবেন’।২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার সরকারের পতন হয়। ৮ আগস্ট নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করা হয়। ছাত্রদের প্রতিনিধি হিসেবে নাহিদ ইসলাম উপদেষ্টা হয়েছিলেন। গত ফেব্রুয়ারিতে তিনি সরকার থেকে পদত্যাগ করে এনসিপির আহ্বায়কের দায়িত্ব নেন। এর কয়েক মাস যেতেই উপদেষ্টাদের নিরাপদ প্রস্থানের অভিযোগ তোলেন তিনি। অবশ্য, ছাত্রদের প্রতিনিধি হিসেবে নাহিদের সঙ্গে সরকারে যোগ দেওয়া মাহফুজ আলম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এখনও উপদেষ্টা পরিষদে রয়েছেন। যেভাবে আলোচনায় এলো ‘সেফ এক্সিট’ সম্প্রতি একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘রাজনৈতিক দলের নেতাদের এবং যারা উপদেষ্টা হয়েছেন, তাদের অনেককে বিশ্বাস করাটা আমাদের অ...
Image
  বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সেনাবাহিনী এখন রাশিয়ার রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনী বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সেনাবাহিনী হিসেবে বিবেচিত বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের উপদেষ্টা এবং মেরিটাইম বোর্ডের চেয়ারম্যান নিকোলাই পাত্রুশেভ। সংবাদ মাধ্যম রোসিয়া-১ টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পাত্রুশেভ বলেন, ‘শক্তির দিক থেকে রুশ সেনাবাহিনী এখন আমেরিকান সেনাবাহিনীকেও ছাড়িয়ে গেছে।’ তিনি বলেন, ‘পেশাদার সামরিক কর্মকর্তারা ভালোভাবেই জানেন যে, আমরা এখন বিশ্বের অন্য যেকোনো দেশের চেয়ে শক্তিশালী।’ তিনি আরও বলেন, ‘অনেকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীই সবচেয়ে শক্তিশালী। কিন্তু তা সঠিক নয়—আমাদের সেনাবাহিনী আরও শক্তিশালী এবং একটি দৃঢ় প্রতিক্রিয়া দিতে সম্পূর্ণ সক্ষম।’ তবে পাত্রুশেভ সতর্ক করে বলেন, ‘এত শক্তিশালী বাহিনী থাকা সত্ত্বেও, অভ্যন্তরীণ জনসমর্থন ছাড়া পশ্চিমা আগ্রাসন প্রতিহত করা কঠিন হবে।’ তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘এটি ছাড়া শুধু সামরিক বাহিনীর ওপর নির্ভর করে ইউরোপের আগ্রাসন প্রতিরোধ করা খুব কঠিন হবে।’
Image
 এসএসসির প্রশ্ন কাঠামোতে পরিবর্তন এনে নির্দেশনা জারি ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার বাংলা ২য় পত্র, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) এবং ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং বিষয়ের প্রশ্ন কাঠামো ও নম্বর বিভাজনে পরিবর্তন এনেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। রোববার (৫ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. খন্দোকার এহসানুল কবির এই বিজ্ঞপ্তিতে সই করেছেন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৬ সাল থেকে অনুষ্ঠিতব্য এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার বাংলা ২য় পত্র, আইসিটি এবং ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং বিষয়ের প্রশ্ন কাঠামো এবং নম্বর বিভাজন জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড থেকে সংশোধন করা হয়েছে। সংশোধিত প্রশ্ন কাঠামো অনুযায়ী, বাংলা ২য় পত্র বিষয়ের বিদ্যমান প্রশ্ন কাঠামো এবং নম্বর বিভাজন সংক্রান্ত নির্দেশনাবলীর রচনামূলক অংশের অনুবাদের অংশটি বাদ দেওয়া হয়েছে। অনুবাদের জন্য বরাদ্দকৃত ১০ নম্বর সংবাদ প্রতিবেদনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে। অপরদিকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বি...
Image
 সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রথম হাসপাতাল ভার্টিপোর্ট ঘোষণা করা হয়েছে রোগীদের কয়েক মিনিটের মধ্যে সেবা প্রদানের জন্য বিমান ট্যাক্সি পরিবহন ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিক আবুধাবির বিদ্যমান হেলিপ্যাডটি আর্চার দ্বারা রূপান্তরিত করা হবে যাতে ঐতিহ্যবাহী হেলিকপ্টার এবং eVTOL বিমান উভয়ই পরিচালনা করা সম্ভব হয়।  ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিক আবুধাবির বিদ্যমান হেলিপ্যাডকে আর্চার দ্বারা রূপান্তরিত করা হবে যাতে ঐতিহ্যবাহী হেলিকপ্টার এবং eVTOL বিমান উভয় কার্যক্রমই সম্ভব হয়। সংযুক্ত আরব আমিরাত শীঘ্রই তার প্রথম হাসপাতাল-ভিত্তিক ভার্টিপোর্ট পাবে, যেখান থেকে বিমান ট্যাক্সিগুলি উড্ডয়ন এবং অবতরণ করবে, যাতে রোগীদের কয়েক মিনিটের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা সম্ভব হয়। বুধবার, ৮ অক্টোবর, ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিক আবুধাবি, আর্চার এভিয়েশন ইনকর্পোরেটেডের সাথে অংশীদারিত্বে এই ঘোষণা দেয়, যা প্রকাশ করে যে আর্চার তার বিদ্যমান হেলিপ্যাডকে ঐতিহ্যবাহী হেলিকপ্টার এবং eVTOL বিমান উভয় কার্যক্রমের জন্য রূপান্তরিত করবে। ভার্টিপোর্টটি যাত্রীদের হাসপাতাল থেকে নিকটবর্তী স্থানে মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে যাতায়াত করতে সাহায্য করবে, যা...
Image
 ভিন্নরূপে পরীমনি ঢালিউড অভিনেত্রী পরীমনিকে এখন আর আগের মতো নিয়মিত পর্দায় দেখা যায় না। তবে  সামাজিকমাধ্যমে তার রয়েছে বেশ সরব উপস্থিতি। প্রায়ই তাকে দেখা যায়, নানান মুহূর্ত ভক্তদের মাঝে শেয়ার করে নিতে। আবার কখনো নতুন সাজ-পোশাকে এসে নিজেকে মেলে ধরতে। এই কয়েক দিন আগেও নিজেকে মেলে ধরেছেন পরীমনি। একটি গহনার ব্র্যান্ডের হয়ে ফটোশুটে অংশ নিয়ে নজরকাড়া পোশাক আর গহনায় দ্যুতি ছড়িয়েছেন তিনি। নীল ও সোনালি রঙের একটি লেহেঙ্গায় দেখা যায় অভিনেত্রীকে। এবার অন্যরূপে ধরা দিলেন পরীমনি। ব্যক্তিজীবনে প্রেম করে বিয়ে করেছিলেন অভিনেতা শরিফুল রাজকে। এরপর তাদের কোলজুড়ে আসে ছেলে ‘শাহীম মুহাম্মদ রাজ্য’। সম্পর্কের টানাপোড়েনে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে বিচ্ছেদের পথে হাঁটেন এ তারকা দম্পতি। বর্তমান সময়ে কাজের পাশাপাশি ছেলে রাজ্য ও দত্তক মেয়েকে নিয়েই সময় কাটছে অভিনেত্রীর।  সামাজিকমাধ্যমে ছেলে রাজ্য ও মেয়েকে নিয়ে কালো বোরকা পরা ভিডিও শেয়ার করেছেন পরীমনি। সেখানে ভিডিওতে অভিনেত্রীকে বলতে শোনা যায়, ‘ছোটবেলায় রাজ্য আমাকে মা বলে ডাকত, এখন আম্মু ডাকা শুরু করেছে।’  অভিনেত্রী মূলত তার দুই সন্তানকে টিকা দিতে নিয়ে গি...
Image
বাঁধন সেই মানুষটা হতে পারেনি, যাকে সবাই দেখতে চেয়েছিল জনপ্রিয় অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানান বিষয় উঠে তার লেখায়। অনেক সময় তার ফেসবুক পোস্ট নিয়েও আলোচনা হয়। বাঁধন রোববার (৫ অক্টোবর)  ‘সমাজ আর একজন অস্বস্তিকর নারী’ শিরোনামে একটি পোস্ট করেছেন নিজের ব্যর্থতার গল্প, তবে সেই ব্যর্থতাতেই তিনি খুঁজে পেয়েছেন নিজস্ব সাফল্যের সংজ্ঞা। বাঁধন লেখেন, আমি এমন এক মেয়ে হতে চেয়েছিলাম, যে সবাইকে খুশি রাখে—যে অনুগত, বাধ্য, শান্তভাবে মানিয়ে নেয়। কিন্তু আমি ব্যর্থ হয়েছি। আমি সেই মানুষটা হতে পারিনি, যাকে সবাই দেখতে চেয়েছিল। চেষ্টা করেছিলাম পরিবারের প্রত্যাশিত মেয়ে হতে, সমাজের বানানো ‘নারী’ হতে। কিন্তু ব্যর্থ হয়েছি। আর সেই ব্যর্থতার জন্য আজ নিজেকেই ধন্যবাদ জানাই। নিজের এই ‘ব্যর্থতার’ কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে অভিনেত্রী লেখেন, আমি অন্য কারও স্ক্রিপ্টে বাঁচার জন্য জন্মাইনি। আমার কথা অনেকের কাছে অস্বস্তিকর, আমার কাজ অনেকের সান্ত্বনার সীমা ভেঙে দেয়। আমি সহজ মানুষ নই, কিন্তু নির্মমও নই। আমি কাউকে আঘাত দিই না, অসম্মানও করি না যদিও অনেকেই আমার প্রতি তা করে। তিনি আরও লেখেন, চল্লিশের পর এস...
Image
সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ ও সহনশীল দেশ 🇦🇪   সংযুক্ত আরব আমিরাত (UAE) আবারও বিশ্বব্যাপী আলোচনায় এসেছে — এবার নিরাপত্তা, সহনশীলতা ও জীবনমানের দৃষ্টিকোণ থেকে। আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সূচকে (Safety Index 85.2) শীর্ষে থেকে UAE প্রমাণ করেছে যে, আধুনিকতা ও মানবিকতা একসাথে চলতে পারে। নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা: বিশ্বের ১ নম্বর নিরাপদ দেশ UAE আজ বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ দেশ — এর Crime Index মাত্র 14.8, যা এশিয়ার গড় (জাপান 23.0, সিঙ্গাপুর 16.8) থেকেও অনেক নিচে। এই দেশের রাস্তায় রাতের বেলাতেও নারীরা নির্বিঘ্নে চলাফেরা করতে পারেন, শিশুদের একা ভ্রমণেও কোনো ঝুঁকি নেই। 🔹 ২৪/৭ পুলিশ উপস্থিতি: দেশের প্রতিটি অঞ্চলে নিরাপত্তা বাহিনীর সক্রিয়তা নাগরিকদের আত্মবিশ্বাস দেয়। 🔹 আবুধাবি – ৯ বছর ধরে বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ শহর: ২০২5 সালেও এই ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে। 🔹 শূন্য অপরাধ নীতি: প্রযুক্তি নির্ভর নজরদারি ও দ্রুত আইন প্রয়োগের কারণে অপরাধের হার ন্যূনতম। সহনশীলতা ও বৈচিত্র্য: ২০০ জাতির একসাথে শান্তিপূর্ণ বসবাস UAE এমন এক দেশ যেখানে ২০০-রও বেশি জাতীয়তার মানুষ এক ছাদের নিচে বাস করছে। এদের মধ্যে প্র...