Posts

Showing posts from January, 2025
Image
  মেডিটেরানিয়ান ডায়েটে কি ওজন কমে মেডিটেরানিয়ান অর্থাৎ ভূমধ্যসাগরের আশপাশের এলাকার প্রচলিত খাদ্যাভ্যাসকে স্বাস্থ্যকর ধারা হিসেবে বিবেচনা করা হয় বিশ্বজুড়েই। এই মেডিটেরানিয়ান ডায়েট মেনে চলা সম্ভব আমাদের দেশেও। দীর্ঘমেয়াদি নানা রোগ প্রতিরোধে এই খাদ্যাভ্যাস কার্যকর ভূমিকা রাখে। ওজন কমাতেও কি মেডিটেরানিয়ান ডায়েট কাজে দেবে? জেনে নেওয়া যাক, এটি আদতে কোন ধরনের ডায়েট। ওজন কমানোর বিষয়টিও খোলাসা হবে তাতেই। মে টেরানিয়ান ডায়েটে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয় উদ্ভিজ্জ উপাদানে। তবে এই ধারা গ্রহণ করতে হলে যে আপনাকে পুরোপুরি নিরামিষাশী হয়ে যেতে হবে, ব্যাপারটা কিন্তু তেমনও নয়; বরং এটি এমন এক ভারসাম্যপূর্ণ খাদ্যাভ্যাস, যা আপনি নিজের সুবিধা অনুযায়ী সাজিয়ে নিতে পারবেন। ধরাবাঁধা কিছু খাবারের মধ্যে আপনাকে সীমাবদ্ধ থাকতে হবে না; বরং এই ডায়েটে যে বৈচিত্র্যময় খাবার রয়েছে, তা থেকে নানা কিছুই বেছে নিতে পারবেন। মেডিটেরানিয়ান ডায়েট সম্পর্কে নানা তথ্য জানালেন স্কয়ার হাসপাতাল লিমিটেডের মেডিসিন বিভাগের অ্যাসোসিয়েট কনসালট্যান্ট  ডা. তাসনোভা মাহিন ।      মেডিটেরানিয়ান ডায়েটে যা খেতে পারেন ফলমূল, ...
Image
এই ৯ বিষয়ে শিশুদের কখনো নিরুৎসাহিত করবেন না শিশু নতুন কিছু করতে গেলেই কোনো কোনো অভিভাবক সামনে দুর্ভেদ্য দুর্গ হয়ে দাঁড়ান। ‘ও তো ছোট, ওর বয়স হয়নি’—এমন নানা কথা বলে তাঁরা শিশুর ‘ভালোর স্বার্থে’ই হয়তো এসব সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু স্বাভাবিক বিকাশের পথে তা কতটা সঠিক? হ্যাঁ, এটা ঠিক, শিশুর ভালো সবচেয়ে বেশি চাইবেন তার মা-বাবা তথা অভিভাবকই। তাই নানা বিষয়ে তদারকি তো দরকার আছেই। কিছু বিষয়ে হয়তো বাধা দেওয়াও প্রয়োজন। কিন্তু নিচের ৯ বিষয়ে কখনো শিশুকে নিরুৎসাহিত করবেন না। বরং পারলে উৎসাহিত করুন। এসব বিষয়ে ‘হ্যাঁ’ বললে আপনার শিশু জীবনপথে কত দূর যাবে, তা হয়তো কল্পনাও করতে পারবেন না। ১. খেলাধুলা আজকাল কে না জানে, শিশুর শারীরিক বিকাশের জন্য খেলাধুলা কতটা দরকারি। কিন্তু খেলাধুলা শুধু শারীরিক বিকাশই ঘটায় না, এটা শিশুকে পারস্পরিক সহযোগিতা ও অধ্যবসায়ের মতো গুণও শেখায়। খেলাধুলা সঠিকভাবে জয় উদ্‌যাপন করতে ও পরাজয়কে মর্যাদার সঙ্গে মেনে নিতে সাহায্য করে। এটা শৃঙ্খলা ও সুস্থ প্রতিযোগিতার মতো সুন্দর বিষয়গুলোও শিশুমনে গেঁথে দেয়। ২. বড় স্বপ্ন দেখা মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়—এটা আমরা অনেকেই মানি। তাই শিশুকে শুরু থেকেই ব...
Image
  আলফা প্রজন্ম কি সম্পর্কের ব্যাপারে উদাসীন প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বদলে যায় বহু কিছু। পারিপার্শ্বিকতার এক বিরাট অবদান থাকে সেসব পরিবর্তনে। আলফা প্রজন্ম, অর্থাৎ যাঁদের জন্ম ২০১০ থেকে ২০২৪ সালের ভেতরে, তাঁদের বয়স এখনো নিতান্তই কম। পরিণত বয়সে পৌঁছে তারা ঠিক কেমন মানুষ হয়ে উঠবে, সে প্রশ্নের উত্তর তো সময়ই দেবে। তবে এই বয়সের স্বাভাবিক সম্পর্কগুলোতে তাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন জাগছে কারও কারও মনে। আলফা প্রজন্ম কি একটু বেশিই আত্মকেন্দ্রিক? সম্পর্কের ব্যাপারে তারা কি একটু উদাসীন? আলফা প্রজন্ম কি একটু বেশিই আত্মকেন্দ্রিক? আলফা প্রজন্ম এই পৃথিবীকে ভালোভাবে বুঝে ওঠার আগেই পৃথিবী করোনা অতিমারিতে বিপর্যস্ত হয়েছে। সেই সময়ের ছোট্ট শিশুরা স্কুলের আনন্দটা ভালোভাবে উপভোগ করার আগেই অনলাইন ক্লাসের সঙ্গে পরিচিত হয়েছে। পরিবারে তাদের ভাইবোনের সংখ্যাও কম। আগের অনেক প্রজন্ম তাদের শৈশবে যে ধরনের পারিবারিক পরিবেশ পেয়েছে, আলফা প্রজন্ম ঠিক তেমনটা পায় না। এমন বহুবিধ ভিন্নতার কারণেই তাদের অনেক আচরণ আগের দিনের শিশুদের মতো নয়। আলফা প্রজন্ম সম্পর্কে এমনটাই বলছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা মনোবিজ্ঞানী ও পিএইচডি গবেষক...
Image
  বিপিএল২০২৫: হিসাব-নিকাশ এখনো অনেক বাকি সাত দলের লিগ। প্লে-অফ পর্বে উঠবে শীর্ষ চার দল, তলানির তিন দল পেয়ে যাবে ছুটি। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) গতকাল পর্যন্ত প্লে-অফ নিশ্চিত করতে পেরেছে মাত্র দুটি দলই। রংপুর রাইডার্স তো টানা আট ম্যাচ জিতে সিলেটেই নিশ্চিত করে ফেলে শীর্ষ চারে থাকা। পরশু বিপিএল ঢাকায় ফেরার পর সিলেট স্ট্রাইকার্সকে হারিয়ে ফরচুন বরিশাল সঙ্গী হয় রংপুরের। তবে শীর্ষ দুইয়ে থাকা এখনো নিশ্চিত হয়নি দল দুটির। এখন পর্যন্ত বাদ পড়া নিশ্চিত হয়েছে শুধু সিলেট স্ট্রাইকার্সের। প্লে-অফে উঠতে কিংবা শীর্ষ দুইয়ে থেকে কোয়ালিফায়ারে জায়গা পেতে কোন দলের কী হিসাব  রংপুর রাইডার্স ১০ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট শেষ দুই ম্যাচের প্রতিপক্ষ:  চিটাগং কিংস ও খুলনা টাইগার্স প্লে-অফ নিশ্চিত করেছে প্রথম আট মাচ জিতেই। শেষ দুই ম্যাচের একটিতে জিতলে নিশ্চিত শীর্ষ দুইয়ে থেকে প্রথম কোয়ালিফায়ারে খেলাও। চিটাগং কিংস আর একটি ম্যাচ হারলে শীর্ষ দুইয়ে থাকতে আর কোনো পয়েন্ট না পেলেও চলবে রংপুরের। ফরচুন বরিশাল ১০ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট শেষ দুই ম্যাচের প্রতিপক্ষ:  ঢাকা ক্যাপিটালস ও চিটাগং কিংস প্লে-অফ নিশ্চিত। রংপুরের...
Image
  শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংঘাত নিরসনে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যবস্থাপনায় ঘাটতি রয়েছে: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র সম্প্রতি ছোটখাটো ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে সংঘাত বাড়ছে। আকস্মিক সৃষ্টি হওয়া এসব সংঘাতের শিকার হচ্ছেন সাধারণ শিক্ষার্থী ও মানুষ। এ ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যবস্থাপনায় ঘাটতি রয়েছে বলে মনে করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। আজ সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এই পর্যবেক্ষণ দিয়েছে। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সার্বিক সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে সরকারকে আরও বেশি সক্রিয় ও উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে তারা। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রোববার মধ্যরাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে উভয় প্রতিষ্ঠানের অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থীর পাশাপাশি কয়েকজন পথচারীও আহত হয়েছেন। এ সময় পুলিশের হামলায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য মুহাম্মদ রাকিবসহ অনেক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের নির্বিচার হামলার নি...
Image
অন্যায় দেখলে আমৃত্যু কথা বলব, যা আছে কপালে: পরীমনি চিত্রনায়িকা  পরীমনি র বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছেন আদালত। ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সিজেএম) আদালত আজ রোববার এই আদেশ দেন। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর বেলা সোয়া দুইটায় কথা হয় পরীমনির সঙ্গে। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া যা জানা গেল ।  ফোন হাতে নিয়ে ফেসবুক স্ক্রল করতে করতে খবরটা দেখলাম। আমি আজ আদালতে যেতে পারিনি। এর আগেও একবার যেতে পারিনি, সেবার আমার মৃত নানুর একটা বিষয় ছিল। সে হিসেবে পরপর দুবার আমি আদালতে যেতে পারিনি। আজকে আমার শারীরিক অসুস্থতার কারণে হাজির থাকতে পারিনি। আমার আইনজীবীকে তা জানিয়েছিও। আদালতের ভাষ্য অনুযায়ী, আজকে আমার অবশ্যই যাওয়া উচিত ছিল। সচেতন নাগরিক হিসেবেও মনে করছি, যাওয়া উচিত ছিল। কিন্তু শরীর অনেক বেশি খারাপ ছিল। শরীর অসুস্থ থাকলে তো কিছুই করার নেই। আমি বিছানা থেকে ওঠার মতো শক্তিও পাচ্ছিলাম না। ঠিক থাকলে আমি তো আদালতে যেতাম। আদালতে যাওয়া নিয়ে আমার কখনোই কোনো সমস্যা ছিল না। মাতৃত্বকালীন সময়টায়ও কিন্তু আমি আদালতে যাওয়া বাদ দিইনি। এটা তো আসলে ...। পরিচিত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সবাই অনবরত ফোন করছে, ...